Tag: upwork

  • চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন

    চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন

    গ্র্যজুয়েশন শেষ করার পর আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হয় একটি চাকরি খোজা। অনেকেই আবার গ্র্যাজুয়েশনের আগেই চাকরি খোজা শুরু করে। প্রয়োজনের তাগিদে তখন পড়া লেখা শেষ করার আগেই চাকরিতে প্রবেশ করে। এবং নাম মাত্র মূল্যে নিজের জীবনের অমূল্য সময় গুলো বিক্রি করতে থাকে।

    পরিচিত অপরিচিত সবার কাছ থেকেই একটা প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়। কি কর তুমি? যদি কোন ইনিস্টিটিউটে ভর্তি থাকি, বলা যায়, পড়ালেখা করি। যদিও পড়া লেখা করতে ইন্সটিটিউট এর প্রয়োজন হয় না।

    যদি কোথাও না পড়ি, তখন যদি বলি কিছু করি না। তখন প্রশ্ন কর্তার অভিব্যাক্তি অবশ্যই ভালো দেখায় না। আর উত্তর যদি হয় জব করি, ঐ কম্পানিতে, তখন অবশ্যই অভিব্যাক্তি দারুণ দেখায়। কিন্তু চাকরি করা থেকে অনেক ভালো কিছু রয়েছে করার মত। চাকরি বলতে যদি বুঝায় টাকা উপার্যন করা।তবে সৎ ভাবে টাকা উপার্জন করার অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে।

    চাকরি বলতে যতক্ষন কাজ করা, ততক্ষনই টাকা। কাজ বন্ধ তো টাকা ও বন্ধ। আর মাসের শেষে একটা এমাউন্ট। যা প্রথম সপ্তাহেই শেষ হয়ে যায়। মাসের বাকি দিন গুলো আবার এদিক ঐদিক করে চলতে হয়।

    কেমন হয় যদি সারাক্ষনই টাকা উপার্জন হতে থাকে? কাজ করলেও, কাজ না করলেও? সারাক্ষন উপার্জন করা কি অসম্ভব কিছু? অবশ্যই না। অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে। ব্যবসা করা, ইনভেস্ট করা, ক্রিয়েটিভ কাজ করা যেমন ডিজাইনিং, ডেভেলপিং, লেখালেখি/ব্লগিং, ফটোগ্রাফি, সহ আরো অনেক। এগুলো থেকে রয়ালিটি ইনকাম আসতে থাকে। প্রথম প্রথম সময় দিতে হয়। এর পর আর তেমন সময় না দিলেও হয়। প্রথম প্রথম যে সময় দিতে হয়, তা একটি চাকরি খোজার সময় থেকেও কম। অনেক কম কষ্টের।

    চাকরি করলে নিজের বেতন বাড়বে না। বছরে দুই এক বার সামান্য কিছু বাড়ানো হয়। কিন্তু নিজের কাজ নিজে করলে ইচ্ছে করলেই বেতন বাড়িয়ে নেওয়া যায়। শুধু মাত্র পরিশ্রম একটু বাড়িয়ে দিলেই হয়।

    চাকরি খোজার জন্য অনেকেই অনেক ট্রেনিং নেয়, বা অনেক গুলো বই পড়ে। অথচ ঐ বই বা ট্রেনিং চাকরি করার জন্য না নিয়ে নিজের স্কিল বাড়ানোর জন্য নিলে দারুণ কিছু শেখা যেতো। যে গুলো কাজে লাগিয়ে আরো ভালো কিছু করা যায়।

    চাকরি করলে মানুষের অভিজ্ঞতা একটা বিষয়ের উপর থাকে। সব্ কিছুই দিন দিন পরিবর্তন হচ্ছে। এক সময় নতুন বিষয় নিয়ে কাজ করতে হলে তখন নিজেকে আর মানিয়ে নিতে পারে না। এতে অনেকেরই হয়তো চাকরি ছেড়ে দিতে হয়।

    সব সময়ই মনের মধ্যে একটা ভাব থাকে, সব কিছু ঠিক মত হচ্ছে তো? চাকরি চলে যাবে না তো। বস রাগ করবে না তো। ইত্যাদি। অথচ নিজের কোন কাজ হলে এসব চিন্তা করার কোন মানে হয় না।

    আচ্ছা, চাকরি কি মানুষকে ভিতু বানাতে সাহায্য করে না? মাস শেষে অল্প কিছু টাকা হাতে পায়। অনেকের হয়তো ঐ অল্প টাকাতেই হয়ে যায়। আবার কারো কারো অনেকের দ্বায়িত্ব নেওয়ার কারণে ঐ অল্পতে হয় না। যারা সৎ থাকতে পারে, তারা হয় বাড়তি কাজ করার চেষ্টা করে। আর না হয় অনেকেই নিজের সততাকে বিকিয়ে দেয়। নষ্ট করে মানুষের স্বাধীনতা। সবচেয়ে অমুল্য জিনিশ।

    এছাড়া চাকরি করলে নিজের ইচ্ছে মত কখনোই ছুটি কাটানো যায় না। অনেক সময় দরকারের সময়ও ছুটি পাওয়া যায় না। এসব ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সাররা ভালো একটা সুবিধে করতে পারে। যখন দরকার তখন ছুটি কাটানো যায়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদের ও সারাক্ষন কাজ করতে হয়। এক সপ্তাহ কাজ না করলে পরের সপ্তাহ খরচ করার মত টাকা থাকে না, যদি না সে আগে সেভ করে রাখে। আর সব থেকে ভালো পন্থা হচ্ছে একটা প্যাসিভ ইনকামের পথ তৈরি করা। যেখানে কাজ না করলেও একটা ইনকাম আসবে। তবে তার জন্য অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।

    চাকরি করার প্রতি অবহেলা নয়। কিন্তু অনেকেই চাকরি পাওয়ার জন্য অনেক কিছু করে। চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে যায়। এক অফিশ থেকে আরেক অফিশে সিভি জমা দিতে দিতে নিজের অমূল্য সময় নষ্ট করে। এমনকি অসৎ পন্থাও অবল্বন করে। কিন্তু চাকরি করা থেকেও যে ভালো কিছু করা যায়, তা জানানোর জন্যই এ লেখা।

    অনেক গুলো পন্থার কথা লিখছি, চাকরি করা ছাড়াও করা যায়, সেগুলো নিয়ে লেখা যাক। প্রথমেই লিখছিলাম ব্যবসা করার কথা। ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা আমার নেই। ব্যবসা অবশ্যই চাকরি করা থেকে ভালো। নিজের ব্যবসা করার মত অভিজ্ঞতা না থাকলে যাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান আছে, তাদের সাথে পার্টনার হয়ে ইনভেষ্ট করা যেতে পারে।

    যদি ইনভেস্ট করার মত টাকা না থাকে? আরো অনেক গুলো পথ রয়েছে। অফলাইনে করার মত হয়তো অনেক গুলো পথ থাকতে পারে। আমার জানা না থাকার কারণে লিখছি না। অনলাইনে যে সব কাজ করা যেতে পারে, সেগুলো নিয়ে লিখছি। তার মধ্যে ডিজাইনিং অন্যতম।

    ডিজাইনিং
    ডিজাইনিং শিখে নিজের করা ডিজাইন গুলো অনলাইনে অনেক গুলো সাইটেই আপলোড করা যায়। যে গুলো পরে বিক্রি হলে নিজের একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকে। প্রথম প্রথম হয়তো তেমন কোন টাকা আসবে না, কিন্তু এক সময় প্রতি মাসেই একটা ভালো রেভিনিউ আসতে থাকবে। যা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। এরকম ডিজাইন সেল করার সাইটের মধ্যে http://graphicriver.net/ অন্যতম। এছাড়া এ লেখাটিও দেখা যেতে পারে। অনলাইনে ডিজাইন/গ্রাফিক্স সেল করার ৪০টি সাইট।

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট জানা থাকলে ওয়েব সাইট তৈরি করা যেতে পারে। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ওয়েব সাইট তৈরি করে তা থেকে সহজেই আয় করা যায়। এডভার্টাইজ বা এফিলিয়েট এর মাধ্যমে। এখানেও প্রথম প্রথম কিছু দিন সময় দেওয়ার পর একটা নির্দিষ্ট সময় পর ভালো রেভিনিউ আসতে থাকে।

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ভালো ভাবে জানা থাকলে ওয়েব সাইটের জন্য টেমপ্লেট তৈরি করা যেতে পারে। যে গুলো সেল করে একটা ভালো রয়ালিটি ইনকাম জেনারেট করা যেতে পারে। এ ওয়েব টেমপ্লেট সেল করার উল্যেখযোগ্য সাইট হচ্ছে http://themeforest.net/ এরকম আরো অনেক গুলো রয়েছে অনলাইনে। একটু সার্চ করলেই পাওয়া যাবে। যেমনঃ 10 Places to Sell Templates

    ভিডিও তৈরি

    নিজে কোন বিষয় দক্ষ হলে আরেক জনে কিভাবে তা শিখতে পারে, তার ভিডিও তৈরি করে সহজেই রেভিনিউ জেনারেট করা যায়।  ইউটিউব সুন্দর একটি জায়গা। এ ছাড়াও রয়েছে Coursera এর মত অনেক ওয়েব সাইট। যেখানে কোন বিষয়ের উপর টিউটোরিয়াল তৈরি করে সেল করা যায়। ভিডিও তৈরি করা এমন কোন কঠিন কাজ নয়।

    এছাড়া কোন একটা জায়গার ভিডিও করে তা থেকেও আয় করা যায়। আপনার এলাকার কোন জায়গার উপর ভিডিও তৈরি করতে পারেন। সেখানে তো সবাই যেতে পারে না। কিন্তু অনেকেই যেতে চায় বা দেখতে চায়। আর তাই এমন ভিডিও তৈরি করে আপলোড করলেও ভালো কিছু করা যায়। সিম্পল, কিন্তু ভালো রেভিনিউ।

    সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট

    ডেভেলপমেন্ট জানলে সফটওয়ার তৈরি করা যেতে পারে। ভালো আইডিয়া থাকলে এবং ভালো সফটওয়ার তৈরি করতে পারলে একটা সফটওয়ার থেকেই যথেষ্ট রেভিনিউ আসতে থাকবে। সব সময় যে বড় কোন প্রজেক্ট করতে হবে তা না, সিম্পল কিন্তু ইফেক্টিভ কিছু দিয়েই ভালো কিছু করা সম্ভব। ক্রিয়েটিভ হলে ছোট খাটো কিন্তু কাজের সফটওয়ার তৈরি করা তেমন কঠিন কিছু না।

    মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

    এছাড়া এখন মোবাইল মার্কেট গুলোতে রয়েছে ভালো ক্যারিয়ার। এন্ড্রয়েড, আইফোন বা উইন্ডোজ ফোনের জন্য অ্যাপ তৈরি করা যেতে পারে। যে সময় ধরে মানুষ চাকরি খুজবে, তার থেকে কম সময়ের মধ্যে এসব ডেভেলপমেন্ট স্কিল শেখা যায়। এক রাতেই মিলিনিয়ার হওয়ার মত অনেক গুলো সুন্দর সুন্দর গল্প রয়েছে মোবাইল অ্যাপ নিয়ে। রয়ালিটি ইনকামের জন্য অ্যাপ সেলিং অবশ্যই সুন্দর এবং ভালো একটা পন্থা।  সহজেই শেখা যায় এবং খুব দ্রুত রেভিনিউ জেনারেট করা যায়।

    ফটোগ্রাফি

    অনেকের কাছেই DSLR ক্যামেরা দেখা যায়। ক্যামেরা দিয়ে শুধু যে বিয়ে বা কোন জন্মদিনের পার্টির ফটোগ্রাফি করে আয় করা যায়, তা না। আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পথ রয়েছে। নিজের ফটো ব্লগ খুলে তা থেকে আয় করা যায়। কোন একটা বিষয় খুজে তার উপর ফটোগ্রাফি করা যেতে পারে। অনলাইনে অনেক গুলো সাইট রয়েছে ফটো সেল করার। যে গুলো দেখা যেতে পারে। যেমনঃ Top 10 sites to sell your photos online

    Affiliate Marketing

    Affiliate Marketing করে ও ভালো একটা রেভিনিউ জেনারেট করা যায়। তবে তো জানতে হবে কিভাবে করতে হয়! জানাটাও সহজ। কোন ইনিস্টিটিউটের দরকার পড়ে না এখন আর। Google এ গিয়ে সার্চ করলেই অনেক গুলো টিউটোরিয়াল হাজির হবে। একটা থেকে দেখা বা পড়া শুরু করলেই আস্তে আস্তে শিখে নেওয়া যাবে। দরকার ধৈর্য্যের।

    লেখালেখি

    লেখা লেখি সব সময়ই রয়ালিটি ইনকাম করার সুন্দর একটা পন্থা। ইনটারনেটের কারণে এটা আরো সহজ এবং ইফেক্টিভ। ওয়েব সাইট খুলে নিজের পছন্দের বিষয় এর উপর লিখলে এবং ওয়েব সাইটে অ্যাড দিয়ে সুন্দর একটা রেভিনিউ জেনারেট করা যায়। ফুটবল, ক্রিকেট বা যেকোন খেলা, রান্না বান্না, বই এর রিভিউ, মুভি রিভিউ সহ যে কোন বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা যায়। একই সাইটকে ব্যবহার করা যায় Affiliate Marketing এর জন্য।

    এগুলো ছাড়াও আরো অনেক গুলো বিষয় রয়েছে যে গুলো নিয়ে কাজ করা যায়। রিসার্সে একটু সময় দিলেই বের করা সম্ভব। খুজে বের করতে হবে নিজে কোনটাতে ভালো। নিজের কাছে কি ভালো লাগে। এছাড়া উপরের বিষয় গুলোতে নিজে নিজে কিছু করতে না পারলে অনেক কাজ পাওয়া যায়। যাকে আমরা ফ্রিল্যান্সিং বলি আরকি! নিজে নিজে প্রথম প্রথম কিছু না করতে চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের জ্ঞান বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। এর পর নিজের কাজ নিজেই শুরু করলে সুন্দর একটা প্যাসিভ ইনকাম এর উৎস তৈরি হবে। তখন সব সময় কাজ করার চিন্তা না করলেও হবে। ২৪ ঘন্টাই নিজের একাউণ্টে টাকা জমা হতে থাকবে। নিজে কোথায় থাকি, তা কোন ব্যাপার নয়। উপভোগ করা যাবে সুন্দর জীবন, স্বাধীন জীবন। সত্যিকারের স্বাধীনতা। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানার জন্য এই লেখাটা পড়তে পারেন।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • Google adsense কি ? গুগল এডসেন্সের থেকে কিভাবে আয় করবেন

    Google adsense কি ? গুগল এডসেন্সের থেকে কিভাবে আয় করবেন

    গুগল এডসেন্স হলো গুগল দ্বারা চালিত এমন একটি অনলাইন প্লাটফর্ম বা প্রোগ্রাম যেটার ব্যবহার করে একজন পাবলিশার নিজের অনলাইন কনটেন্ট থেকে রোজগার করার দারুন একটি সুযোগ পেয়ে থাকে। আপনার ওয়েবসাইটে থাকা বিষয়বস্তু এবং দর্শক দের ওপর ভিক্তি করে এডসেন্স আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন প্রেরণ করে থাকে যার মাধ্যমে একজন পাবলিশার হিসেবে আপনি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে দেখানো বিজ্ঞাপন গুলো বিভিন্ন বিজ্ঞাপনদাতাদের (advertisers) দ্বারা তৈরি করে চালানো হয় তাদের পণ্য বা পরিষেবা গুলোকে অনলাইনে প্রচার করার উদ্দেশ্যে।

    Google AdSense কি বা এর কাজ কি এই দুটো প্রশ্নোর উত্তর যদি আপনি জানতে চাইছেন, তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন।

    আজকের এই আর্টিকেলে আপনাকে গুগল এডসেন্স কি এবং এর দ্বারা আপনি অনলাইন ইন্টারনেট থেকে কিভাবে টাকা আয় করতে পারবেন এই বিষয়ে বুঝিয়ে বলবো। এডসেন্স থেকে আজ হাজার হাজার লোকেরা লক্ষ লক্ষ টাকা ঘরে বোসে অনলাইন আয় করছে। কিন্তু কিভাবে ?

    কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে আয় করা যাবে এবং এডসেন্সের কাজ কি। আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো শুনেছেন যে, blogging বা YouTube channel বানিয়ে এডসেন্সের মাধ্যমে লোকেরা অনেক টাকা আয় করছেন।

    শুনেছেন তো ?

    তাই হয়তো আপনিও এডসেন্স কি তা জানতে চাচ্ছেন। কিন্তু, কেবল ব্লগ বা ইউটিউবে চ্যানেল বানালেই তা থেকে টাকা আয় করা যায়না। টাকা আয় করার জন্য এডসেন্সের ভূমিকা প্রধান।

    আজ, ইন্টারনেট থেকে অনলাইন ইনকাম করা তেমন কিছু কঠিন কাজ না।আপনিও যদি চান তাহলে অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন। আর, অনলাইন টাকা আয় করার জন্য সবথেকে জরুরি জিনিসটাই হলো Google AdSense. হে, এইটা সত্যি যে ইন্টারনেটে আয় করার জন্য অন্য অনেক উপায় বা সমাধান রয়েছে।

    মনেরাখবেন যে Google এডসেন্স সবচে বিশ্বাসী, সোজা এবং সহজ উপায় অনলাইন টাকা আয় করার।আর, যা আমি আগেই বললাম এর দ্বারা লোকেরা অনেক টাকা আয় করছেন। আসলে, সত্যি বলতে গেলে আমি বা আপনি বা যে কেউ Google এডসেন্স থেকে অনলাইন টাকা আয় করতে পারবে।

    কিন্তু, তার জন্য আপনার সঠিক নিয়ম এবং উপায় জানার সাথে কঠিন কাজ করার ক্ষমতা থাকতে হবে। কারণ, বিনা কোনো কর্ম বা কাজ করে কেও কিছু পায়না।

    তাই, নিচে আমি এডসেন্স কি, এর কাজ কি এবং গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় কিভাবে করা যাবে এর বেপারে বলবো।

    Google AdSense কি ?

    গুগল এডসেন্স গুগলের এমন একটি সার্ভিস যার দ্বারা advertiser রা টাকা দিয়ে যেকোনো বিজ্ঞাপন ইন্টারনেটে দেখাতে পারেন এবং publisher রা নিজের blog, YouTube video তে গুগলের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অনলাইন টাকা আয় করতে পারেন।

    এইটা সোজাসোজি একটি advertising network যার দ্বারা ব্লগ এবং ওয়েবসাইট মালিকেরা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন।

    Advertiser তারা যারা গুগল কে টাকা দিয়ে নিজের বিজ্ঞাপন ইন্টারনেটে দেখাতে চান।

    Publishers তারা যারা গুগলের বিজ্ঞাপন নিজের ব্লগ বা ভিডিওর মাধ্যমে লোকেদের দেখান।

    তাই, এডসেন্স এমন একটি মাধ্যম যার দ্বারা আপনি অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন। কিন্তু, তার জন্য আগে আপনার একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট, app বা YouTube চ্যানেল থাকতে হবে।

    এই মাধ্যম গুলি ব্যবহার করে আপনি এডসেন্সের জন্য apply করতে পারবেন এবং এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

    গুগল এডসেন্সের কাজ কি ?

    এডসেন্সের কাজ বিশেষ করে হলো অনেক রকমের ব্লগ, ওয়েবসাইট, ভিডিও এবং app এ বিজ্ঞাপন দেখানো এবং যাদের ব্লগ বা ভিডিও গুলিতে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে তাদের কে টাকা দেওয়া।

    কিন্তু, এই বিজ্ঞাপন যেগুলি আমাদের ওয়েবসাইট বা ভিডিওতে দেখানো হয় সেগুলির জন্য গুগল আগেই advertiser দেড় থেকে টাকা নিয়ে নেয় এবং সেই টাকার থেকে ব্লগ বা ভিডিও মালিকদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল টাকা দেয়।

    এখন আপনি হয়তো ভাবছেন এখানে গুগলের কি লাভ ? তাই তো ?

    এইখানে গুগলের যথেষ্ট লাভ আছে।

    কারণ, advertise রা বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল কে যতটা টাকা দেয় সেই পুরোটা গুগল publisher দেড় বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য দেয়না।

    Advertiser রা দেওয়া টাকার থেকে গুগল নিজের কাছে কিছু অংশ নিজের কাছে রেখে দেয় এবং কিছু অংশ ব্লগ, ভিডিও বা app মালিকদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য দেয়। এখানে গুগল এবং ওয়েবসাইট বা app বা YouTube চ্যানেল মালিকদের নিয়ে সবাইর একসাথে লাভ হয়।

    গুগল এডসেন্স কিভাবে টাকা দেয় ?

    যখন আমরা নিজের ব্লগ, ওয়েবসাইট, app বা ইউটুব ভিডিওতে এডসেন্সের বিজ্ঞাপন লাগাই বা দেখাই তখন তাতে বিভিন্ন রকমের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়।

    আর, যখন আমাদের ব্লগ বা ভিডিওতে দর্শক (visitors) আসেন এবং তারা যখন সেই বিজ্ঞাপন গুলি দেখে এবং তাতে ক্লিক করে তখন গুগল এডসেন্স সেই view বা click এর জন্য আপনাকে কিছু টাকা দেয়।

    আর, এরকম করে বিজ্ঞাপনে view এবং ক্লিক হোতে হোতে যখন আপনার AdSense একাউন্টে মোট ১০০$ (ডলার) হয়ে যায় তখন গুগল আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়।

    এডসেন্সের জন্য এপ্লাই কিভাবে করবো ?

    আমি আগেই বলেছি, এডসেন্সের থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনার একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট বা YouTube চ্যানেলের আবশ্যক হবে। কারণ, এডসেন্সের বিজ্ঞাপন আপনি তখন দেখতে পারবেন যখন আপনার কাছে একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট, app বা YouTube চ্যানেল থাকবে।

    এইগুলির মধ্যে কিছু একটাও যদি আপনার কাছে থাকে তখন Google adsense এর ওয়েবসাইট গিয়ে sign up করে form fill-up করে আপনি একটি এডসেন্স একাউন্টের জন্য apply করতে পারবেন।

    আপনি যদি Blogger বা YouTube চ্যানেল ব্যবহার করছেন তাহলে আপনি নিজের ব্লগার বা ইউটিউব চ্যানেলের account থেকে এডসেন্সের জন্য apply করতে হবে। এডসেন্সের জন্য apply করার সাথে সাথে আপনার একাউন্ট, ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুগল দ্বারা accept নাও হতে পারে।

    মানে, একবারে গুগল আপনার এডসেন্স একাউন্ট চালু নাও করতে পারে। এবং, হয়তো আপনার একবারের থেকে বেশি এডসেন্সের জন্য apply করতে লাগতে পারে। মনে রাখবেন, একেবারেই এডসেন্স একাউন্ট চালু (active) করার জন্য আপনি গুগল এডসেন্সের program policies, শর্ত (terms & conditions) গুলি মেনে তারপর apply করবেন।

    এর বাইরে, আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে এডসেন্সের জন্য নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা আছে কি না তা আপনার অবশই জেনেনেয়া উচিত। এতে, এডসেন্স আপনার একাউন্ট একেবারেই চালু করে দিতে পারে। আর, আপনার একাউন্ট accept বা reject যাই হোক তা আপনাকে গুগল ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে।

    মনে রাখবেন, কেবল গুগল দ্বারা আপনার একাউন্ট accept হওয়ার পর আপনি নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইট বিজ্ঞাপন লাগিয়ে টাকা আয় করা আরম্ভ করতে পারবেন।

    Google এডসেন্সের থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন ?

    গুগল এডসেন্সের থেকে অনলাইন টাকা আয় করার জন্য আপনার একটি ব্লগ বা YouTube চ্যানেল বানাতে হবে। ব্লগ বানালে তাতে আপনি নিয়মিত ভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে। এবং, ইউটিউব চ্যানেল বানালে আপনার তাতে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করতে হবে।

    যখন আপনার ব্লগ বা YouTube চ্যানেলে visitors বা দর্শক (traffic) আশা শুরু হবে তখন আপনি গুগল এডসেন্সের জন্য এপলাই করুন। এডসেন্স যদি আপনার একাউন্ট চালু করে দেয় তখন আপনি নিজের ব্লগ বা ভিডিও তে বিজ্ঞাপন দেখাতে পারবেন।

    যতবার আপনার ব্লগ বা ভিডিও তে দেয়া বিজ্ঞাপন লোকেরা দেখবে বা তাতে ক্লিক করবে ততবার আপনাকে এডসেন্সের তরফ থেকে টাকা দেয়া হবে। এবং, যখন আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার হয়ে যাবে তখন আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়া হবে।

    FAQ:

    গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করা যায় ?

    গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করার জন্যে আপনাকে একটি blog বা YouTube channel খুলতে হবে। একবার আপনার চ্যানেল বা ব্লগে দর্শক আসতে শুরু করলে তারপর adsense.google.com ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি এডসেন্স একাউন্টের জন্যে এপলাই করতে হবে। আপনার একাউন্ট এপ্রুভ হয়ে গেলে তারপর নিজের ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

    অ্যাডসেন্স প্রতি 1000 ভিউতে কত টাকা দেয় ?

    এই প্রশ্নের উত্তর প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা। অনেকে ১০০০ ভিউতে ৫-১০ ডলার ইনকাম করছেন আবার অনেকে এই একি ভিউতে ১ ডলার ও ইনকাম করতে পারছেননা। আপনার ব্লগে যদি ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশ এর মতো লোকেশন থেকে অধিক দর্শক বা ভিয়ার্স আসছে তাহলে ১০০০ ভিউতে প্রায় ০.৪৫ থেকে ১.৫ ডলার ইনকাম করার সম্ভাবনা থাকছে।

    অ্যাডসেন্স এর মালিক কে ?

    Google AdSense হলো গুগল দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত একটি প্রোগ্রাম।

    গুগল অ্যাড ও গুগল অ্যাডওয়ার্ড এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

    গুগল অ্যাড হলো গুগলের সেই প্রোগ্রাম যার দ্বারা বিজ্ঞাপনদাতারা গুগলকে টাকা দিয়ে তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন গুলো গুগলের মাধ্যমে চালাতে ও পরিচালনা করতে পারেন। তবে, গুগল এডসেন্স হলো সেই প্রোগ্রাম যেটাকে মূলত ওয়েবসাইট ও ব্লগ প্রকাশক (publishers) দের দ্বারা বিজ্ঞাপন গুলোকে অনলাইনে প্রদর্শন করানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।

    শেষ কথা,

    আশাকরি গুগল এডসেন্স কি এবং এর কাজ আমি আপনাদের বুঝতে সফল হয়েছি। What is Google Adsense নিয়ে লিখা আমাদের আজকের আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকলে আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার অবশই করবেন। এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

  • ফ্রিল্যান্সিং কি এবং শুরু করার জন্য গাইড লাইন

    ফ্রিল্যান্সিং কি এবং শুরু করার জন্য গাইড লাইন

    ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার (A to Z)

    ফ্রিল্যান্সিং কি ও এ বিষয়ক কয়েকটি ছোট খাট প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমার এই পোস্ট। যে কয়েকটি প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে যে কারো মনে উঁকি দিতে পারে। 

    আজ, ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসা (freelancing business) করে অনেকেই ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা আয় করছেন। এবং, অনেকেই এতো টাকা ইনকাম করে নিচ্ছেন, যে কোনো ফুল টাইম জব বা চাকরি থেকেও এতো আয় করা সম্ভব নাকিন্তু, ফ্রিল্যান্সিং করে স্বাধীন ভাবে আয করার জন্য, আপনার প্রথমে কিছু জরুরি কথা এর বিষয়ে জেনেনিতে হবে।এই জরুরি বিষয় গুলি হল –

    • ফ্রিল্যান্সিং কেন করব?
    • ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়?
    • আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে freelancing করব?
    • ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। আমি কি করব?
    • আমার কি কি শিখা উচিত?
    • আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
    • আমি কিভাবে freelancing শুরু করব।
    • আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।
    • আমি কাজ পারি, বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না।
    • কভার লেটার লেখার নিয়ম
    • টাকা কিভাবে পাবো?

    ফ্রিল্যান্সিং কি ? (What Is Freelancing In Bangla) 

    সোজা ভাবে বললে, ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি আলাদা মাধ্যম বা উপায়, যার দ্বারা আপনারা অনলাইন কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন। এমনিতে, একটি চাকরি (job) করা ব্যক্তিকে সকাল ১০ থেকে বিকেল ৬ অব্দি অফিসে গিয়ে এক ধরণের কাজ করতেই হবকিন্তু, freelancing এর মাধ্যমে কাজ করা লোকেরা স্বনির্ভর (self-employed) থাকেন। তাই, ফ্রিল্যান্সিং এর মানেই হলো স্বাধীন ভাবে কাজ করা বা মুক্তপেশা। এটাও এক ধরণের ব্যবসা বললে আমি ভুল হবোনা।

    এই প্রক্রিয়াতে লোকেরা, অনলাইন বিভিন্ন সূত্রের (sources) মাধ্যমে কাজ খুঁজে নিজের ইচ্ছে হিসেবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে, যারা এভাবে স্বাধীন হয়ে freelancing এর কাজ করেন, তাদের “freelanc” বলা হয়।

    স্বল্প সময়ের জন্য চুক্তি করে যেকোনোকাজ করে দেওয়া হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। এই চুক্তি হতে পারে ঘণ্টা ভিত্তিক, দিন ভিত্তিক, মাস ভিত্তিক অথবা প্রজেক্ট ভিত্তিক। বাসায় কোন সমস্যা হলে আমরা যে মিস্ত্রি ডেকে আনি, তারাও ফ্রিল্যান্সার। স্বল্প সময়ের জন্য যে আইনজীবীকে হায়ার করি, তারাও ফ্রিল্যান্সার। তাদের এই কাজগুলোকেও ফ্রিল্যান্সিং বলা যায়। সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং বলতে কোন একটা কোম্পানি বা কোন একজন ব্যক্তির অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করাকে বুঝায়।

    তবে আমরা বর্তমানে কম্পিউটারের মাধ্যমে কোন প্রজেক্ট কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে বুঝে থাকি। বর্তমানে বলা যায় প্রায় সব ধরনের কাজই কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায়। যেমন সফটওয়ার বা ওয়েব ডেভেলপেমেন্ট, ডিজাইনিং, মার্কেটিং, লেখালেখি, কনসালটেন্সিসহ হাজার রকমের কাজ রয়েছে, যেগুলো অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে করা যায়।

     ফ্রিল্যান্সিং এর কাজে আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন যে, আপনি কতটা সময় কাজ করতে চান, কতটুকু কাজ করতে চান এবং এই কাজ আপনি পার্ট টাইম (part-time) করবেন না ফুল টাইম (full-time).তাছাড়া, ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নেয়া কাজ গুলি করার জন্য আপনার কোনো বিশেষ জায়গার প্রয়োজন হবেনা। কারণ, প্রায় সব ধরণের কাজ করার জন্য আপনার কেবল একটি ল্যাপটপ (laptop) বা কম্পিউটারের (computer) এবং তার সাথে ইন্টারনেট কানেক্শনের প্রয়োজন।

    তাই, সবটাই আপনি নিজের ঘরে বসে বসেই করতে পারবেন।

    ফ্রিল্যান্সিং কে আমরা একটি বিসনেস (business) হিসেবেও নিয়ে কাজ করতে পারি।

    ফ্রিল্যান্সিং কেন করব।

    আপনার যদি স্বাধীনতা পছন্দ হয়, নিজ বাসায় বা যে কোন স্থান থেকে কাজ করতে ভালো লাগে, তাহলে freelancing করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন, তা নিয়ে বিস্তারিত একটি লেখা লিখেছি। চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন এবং অন্যান্য।

    ফ্রিল্যান্সাররা কেমন আয় করে

    একজন ফ্রিল্যান্সার কেমন আয় করতে পারে, তা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। যেমন স্কিল সেট, এক্সপেরিয়েন্স, কত সময় কাজ করছে ইত্যাদি। যেমন একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর থেকে একজন অনলাইন মার্কেটার বেশি আয় করবে। এটাই স্বাভাবিক। কারণ ডেটা এন্ট্রি অপারেটর থেকে একজন অনলাইন মার্কেটারের স্কিল সেট বেশি ও মূল্যবান।

    আপওয়ার্কে বিভিন্ন ক্যাটেগরি অনুযায়ী একজন ফ্রিল্যান্সার এভারেজ কেমন ইনকাম করে, তা দেখলে আমরা একটা আইডিয়া পেতে পারি।

    • লেখক: একজন লেখক প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 30-40 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 42,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • এডিটর: একজন এডিটর প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 25-35 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 40,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • প্রোগ্রামার: একজন প্রোগ্রামার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 60-70 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 120,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • ডেভেলপার (সফটওয়ার, মোবাইল, ওয়েব): একজন ডেভেলপার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 50-60 ডলার আয় করেন। বছরে প্রায় 100,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • গ্রাফিক্স ডিজাইনার: একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 40-45 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 90,000 ডলার আয় করেন।
    • অনলাইন মার্কেটার: একজন অনলাইন মার্কেটার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 50-60 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 100,000 ডলার আয় করেন।
    • ফটোগ্রাফার: একজন ফটোগ্রাফার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 35-45 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 42,000 ডলার আয় করেন।
    • CRM ম্যানেজার: একজন CRM ম্যানেজার (Customer Relations Manager) প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 50-60 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক সাধারণত প্রায় 120,000 ডলার আয় করেন।
    • ডেটা এনালিস্ট: একজন ডেটা এনালিস্ট প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 55-65 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক সাধারণত প্রায় 100,000 ডলার আয় করেন।

    উপরে কয়েকটা কমন স্কিলের আর্নিং সম্পর্কে একটা ধারণা দেওয়া হয়েছে। এই ডেটা গুলো আপওয়ার্কের অফিশিয়াল ব্লগ পোস্ট থেকে নেওয়া। এগুলো হচ্ছে এভারেজ ফ্রিল্যান্সারদের তথ্য। কিছু ফ্রিল্যান্সার এর থেকে বেশি আয় করে। আবার কিছু ফ্রিল্যান্সার এর থেকে কম আয় করে। মূল লক্ষ্য ছিল ফ্রিল্যানিং করে কেমন আয় করা যায়, তা দেখানো। আমার ধারণা উপরের ডেটা থেকে অনলাইন আর্নিং সম্পর্কে আপনাদের একটা স্পষ্ট ধারণা হয়েছে।

     এবার লিখব ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায় তা নিয়ে।

    কম্পিউটারের মাধ্যমে যে কাজগুলো করা যায়, তা যত সহজ হোক বা কঠিন, সবই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি করতে পারবেন। একদম সহজ থেকে শুরু করিঃ

    • ডেটা এন্ট্রি
    • কাস্টোমার সাপোর্ট
    • ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
    • লেখালেখি বা প্রুপ রিডিং
    • ট্রান্সলেশন 
    • ভয়েস দেওয়া এবং এডিটিং
    • ভিডিও এডিটিং
    • ছবি তোলা বা ছবি এডিটিং
    • ডিজাইনিং
    • ইউজার ইন্টারফেস এবং ইউজার এক্সপ্রেরিয়েন্স ডিজাইন
    • অ্যাকাউন্টিং রিলেটেড যেকোনো কাজ
    • মাইক্রোসফট অফিসের যে কোন কাজ
    • গেম ডেভেলপমেন্ট
    • সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
    • ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট
    • মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
    • যেকোনো প্রোগ্রামিং বা ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত কাজ
    • ডেটা এনালাইসিস
    • ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন
    • মেশিন লার্নিং
    • ইন্টিলিজেন্ট সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সহ আরো অনেক। 

     নিচে আপওয়ার্কে  কি কি জব পাওয়া যায় তার একটা স্কিনসর্ট। ছবির উপর ক্লিক করলে বড় করে দেখা যাবে।

    আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো

    প্রতিটা ক্যাটেগরির মধ্যেই অনেক গুলো সাব ক্যাটেগরি রয়েছে। যেমন Web, Mobile, and Software Development ক্যাটেগরির মধ্যে দেখুন কত ধরনের জব রয়েছেঃ

    ওয়েব, মোবাইল এবং সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট রিলেটেড কাজ

    এগুলো দেখে একটা ধারনা নেওয়া যাবে অনলাইনে কি কি কাজ পাওয়া যায়, কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যদি উপরের যে কোন একটি কাজও পারেন, তাহলে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। যদিও এ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে রয়েছে। আপনাকে তা খুজে নিতে হবে। আপনি যদি এ কাজ গুলোর একটিও ভালো মত না পারেন, তাহলে আপনার কাছে যে বিষয়টা  ভালো লাগে এমন একটা কাজ শিখে নিতে পারেন। তারপর আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। কাজ শিখে নিতে বেশি সময় লাগবে না। ভয় পেলে বা শুরু না করলে কিভাবে শিখবেন? আজকের দিনটি  আপনার প্রিয় বিষয়টি শেখা শুরু করার জন্য কি একটি ভালো দিন নয়?

    আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করব?

    কোন কাজ না জানলে শিখে নিন। যে কোন কিছুই শিখতে পারেন। বা উপরের স্কিনশর্ট থেকে দেখে যে সব বিষয় ভালো লাগে, সে গুলো নিয়ে পড়ালেখা করতে পারেন। এ লেখাটি দেখতে পারেনঃ

    ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজেই নিজের পছন্দের বিষয় গুলো শিখে নিবেন যেভাবে।

    একটা কথা কি, মানুষ যা নিয়ে ঘটাঘাটি করে সে দিকেই এক্সপার্ট হয়। কেউ প্রথম দিন ই সফল হয় না। আপনি যদি আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তাহলে আজই না হোক কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর এক জন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। আর আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে ধোঁকা খান তাহলে আগামি কাল আপনি ঐসব দিক এড়িয়ে ভালো দিকে যেতে পারবেন। আপনি যদি প্রথাগত চাকরি করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানা শুরু করুন। এখানে কাজের অভাব নেই। বিষয়ের ও অভাব নেই। আপনি সহযেই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে সামনে এগুতে পারবেন। অথবা একটা বিষয় নির্বাচন করলেন। তার পর দেখলেন আপনার ভালো লাগে না, আপনি সহজেই অন্য বিষয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় কে নির্বাচিত করে সামনে এগুলে ভালো। একটা বিষয় নিয়ে যে যত ঘাটবে সে তত ঐ বিষয় নিয়ে দক্ষ হতে পারবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ জেনে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন সব সময় গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ করার জন্য। দক্ষ মানুষের স্থান সব সময়েই উপরের দিকে, এবার তা যে বিষয়েই হোক না কেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক জন ফ্রিল্যান্সারকে এক সাথে অনেক কিছুর কাজ করতে হয়। সাজতে হয় ওয়ান ম্যান আর্মি। যাই করুন না কেন, আপনার লক্ষ্য কিন্তু স্থির রাখতে হবে।

    স্কিল স্কিল!

    অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য স্কিলের বিকল্প নেই। ফ্রিল্যান্সিং অন্য সব জবের মতই। আপনার যদি স্কিল না থাকে, কেউ আপনাকে জব দিবে না। তাই সবার আগে স্কিল ডেভেলপমেন্টে সময় দিন।

    ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য আমার কি কি শিখা উচিত?

    আগে যে কোন একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এরপর? এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলতে একটু সময় দিতে হবে। ঘাটাঘাটি করতে হবে। যারা অনেক দিন থেকে কাজ করে, তাদের প্রোফাইল দেখতে হবে। তাদের প্রোফাইল দেকে তাদের প্রোফাইলের মত নিজের প্রোফাইল সাজাতে হবে। এবং ইংরেজীতে একটু দক্ষ হতে হবে। এমন না যে ফ্লুয়েন্টলি আপনাকে কথা বলতে হবে বা লিখতে হবে। অন্তত একটি জব পোস্ট পড়ে কি কি করতে বলছে, কি কি করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার মত ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে।

    কোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করা শুরু করব?

    আপনি যদি কিছু কাজ জানেন, তাহলে নিচের যেকোন একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খুলে ঐ মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আগে ভালো করে জানুন। প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেস এ নিজের প্রোফাইল সাজাতে হয়। প্রোফাইলে নিজে কি কি কাজ পারি তা যুক্ত করতে হয়। নিজে যেটা পারি, সেটা সত্যি পারি কিনা, তা জন্য অনলাইন পরীক্ষা দিতে হয়। এসব করতে পারলে বুঝতে পারবেন আপনি কাজ করার জন্য উপযুক্ত। এরপর কাজ পাওয়ার জন্য, কাজ করার জন্য বিড করতে থাকুন। যে কাজটি পারবেন বলে মনে হয় তাতে বিড করুন। ক্লায়েন্টকে সুন্দর একটা মেসেজ দিন। কাজ পেতে বেশি সময় লাগবে না। আমি এখানে কিছু মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দিচ্ছি। এর বাহিরে আরো অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।

    মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করব বুঝতে পারছি না।।

    কাজের জন্য বিড করুন, নিয়মিত করবেন। যে কাজটা আপনি পারবেন বলে আপনি কনফিডেন্ট। যদি না পারেন, তাহলে বিড করার পূর্বে আগে গুগলে সার্চ করে ঐ কাজটি সম্পর্কে আইডিয়া নিন। আপনি শিখে নিতে পারেন। এভাবে শিখতে শিখতে এক্সপার্ট হয়ে যেতে পারবেন। সুন্দর করে যদি আপনি জবের জন্য এপ্লিকেশন করার সময় মেসেজ দিয়ে থাকেন, কেন আপনি কাজটা করতে চান, কিভাবে আপনি কাজটা সম্পুর্ণ করবেন, তা বুঝিয়ে দিলে একটা না একটা এপলিকেশনের রিপ্লাই পাবেনই। আর রিপ্লাতে সাধারনত জিজ্ঞেস করা হয় কখন কাজটি আপনি শুরু করতে পারবেন, কত দিন সময় লাগবে ইত্যাদি। এগুলো সুন্দর মত বুঝিয়ে দিলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিবে।

     প্রপোজাল লেটার বা কভার লেটার লেখার নিয়ম

    আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে।   সবাই চায় অভিজ্ঞতা। আপনার কভার লেটারে আপনি নিজে শেখার সময় যে কাজ গুলো করেছেন, সেগুলো দিতে পারেন।

    কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব পোস্টটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভার লেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে।

    কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।

    ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা কিভাবে পাবো?

    আশা করি আপনি কাজ পাবেন। যদি কাজ না পান, তাহলে হতাশ হবে না। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিয়মিত। কাজ পান নাই বলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। আর কাজ পেলে কাজ কমপ্লিট করার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। বাংলাদেশে এখন অনেক ভাবেই বৈধ ভাবে ফ্রিল্যান্সারদের ইনকামের টাকা আনা যায়। বড় বড় সাইট গুলো থেকে সরাসরি ব্যাংকে টাকা আনা যায়। এ ছাড়া রয়েছে পেওনিয়ার, ওয়াইজ ইত্যাদি। এসব ব্যবহার করেও আপনি সরাসরি টাকা আনতে পারবেন।  ফ্রিল্যান্স ওয়েব সাইট গুলো থেকে থেকে আপনি ব্যাঙ্কে ট্রন্সফার করতে পারবেন।  আপওয়ার্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি ব্যাঙ্ক সাফোর্ট করে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি ওয়াইজ, পেওনিয়ার বা এমন কোন সিস্টেমে টাকা আনতে পারবেন। টাকা রুজি করলে দেখবেন হাতে আসার অনেক গুলো পথ পেয়ে যাবেন। কিভাবে টাকা হাতে পাবেন, সে চিন্তা আপাতত না করলেও হবে। সবার আগে কিভাবে একটি জব কমপ্লিট করতে পারবেন, তা নিয়ে কাজ করতে থাকুন। কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা ক্লায়েন্ট রিলিজ দেওয়ার পর আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউণ্টে জমা হবে। এবং ঐখান থেকে সহজেই অনেক গুলো পথে আপনার নিজের হাতে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। পেপাল নেই, বা আপনার কার্ড নেই, এসব নিয়ে এখন চিন্তা না করলে হবে। এবং এসব নেই বলে কাজ করা বন্ধ করার কোন মানে হয় না।

    টাকা হাতে আনার জন্য আপনি মাস্টারকার্ডও ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কার্ড দিবে। আপনি আপওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সার  থেকে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কার্ডের জন্য ফ্রী আবেদন করার জন্য পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন। নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দেওয়ার সম একটু নির্ভুল ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর পর আপনার ঠিকানায় কার্ড চলে আসবে। ফ্রি কার্ড। পরে যে কোন সময় কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করে একটিভ করতে পারবেন। আর একটিভ করার পর আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে কার্ড যুক্ত করে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।

    টাকা কি সত্যিই পাবো?

    জ্বি, যে কোন কাজ সম্পুর্ণ করলে সত্যিই টাকা পাবেন।

    দোয়া করি আপনার ফ্রিল্যান্সিং জীবন অনেক সুন্দর হোক।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • ফ্রিল্যান্সিং করতে চান? তাহলে ফ্রী কিছু কাজ করুন!!

    ফ্রিল্যান্সিং করতে চান? তাহলে ফ্রী কিছু কাজ করুন!!

    নাহ!! আমি ঠিক টাইটেলই দিয়েছি। আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিং করতে চান তাহলে আপনাকে কিছু কাজ ফ্রী করে দিতে হবে। কেন জানতে চান?

    যারা ফ্রীল্যান্সিং করেন তাদের কে কাজে বিড করার আগে/ এপ্লাই কররার সময় একটি কভার লেটার লিখতে হয়। ঐ খানে প্রায় সময়ই আপনাকে পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে হয়। কিন্তু যদি আপনার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে কি লিখবেন ঐ খানে? বা আপনাকে আপনার ম্যানেজার জিজ্ঞেস করল আপনি কি ঐ ধরনের কাজ আর করেছেন? করে থাকলে লিঙ্ক/ উদাহরন দিন। কিন্তু আপনি তখন পূর্ব কাজের উদাহরন দিতে পারবেন না। ফল সরূপ কাজটা ও হারাবেন।

    এখন যদি আপনি আপনার পরিচিত কারো কিছু ফ্রী কাজ করে দিয়ে থাকেন তাহলে আপনি ঐ সব গুলো দেখাতে পারবেন। তাছাড়া কাজ করলে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়বে। অন্য কারো কাজ করা মানে উনার নিজের মত করে কাজ করা, উনি কি চায় তা আপনি বুঝে কাজ করা। তাই এই ফ্রী কাজ গুলো করে দিলে আপনার জন্য ভালোই হবে খারাপ না… [ পোস্টটি শুধু নতুন দের জন্য, যারা ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে চায় বা কাজ যেনেও কাজ পারে না তাদের জন্য]

    কারো জন্য ফ্রী কিছু কাজ করে দিলে তার ফল কিন্তু পাওয়া যায়। আমার এই ছোট আর্টিকেলটিকে অবহেলা করবেন না প্লিজ। কাজ জেনে থাকলে বন্ধু, আত্মীয় স্বজনদের কিছু কাজ করে দিন। আপনারই ভালো হবে।

    এটা শুধু যে ফ্রীল্যান্সিং এ তা না, আপনি যদি আইটি বিভাগের ছাত্র হয়ে থাকেন তাহলে কেউ আপনার সার্টিফিকেট দেখবে না, আপনার কাজ দেখবে। আপনি কি জানেন তা দেখবে। তাই কারো জন্য কারো প্রয়োজনে আপনার সময় নষ্ট করলে মনে হয় তা নষ্ট হবে না। আরেকটা জিনিস হচ্ছে আপনি যত হেল্প করবেন আপনার জ্ঞান তত বাড়বে। একটুও কমবে না।

    ধন্যবাদ সবাইকে। শুভ ফ্রীল্যান্স আউটসোর্সিং।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজেই নিজের পছন্দের বিষয় গুলো শিখে নিবেন যেভাবে।

    ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজেই নিজের পছন্দের বিষয় গুলো শিখে নিবেন যেভাবে।

    ইন্টারনেট হচ্ছে তথ্যের ভান্ডার। সকল প্রকার তথ্যই কম বেশি ইন্টারনেটে রয়েছ। আপনি যদি একে সঠিক ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার কোন প্রাতিষ্ঠানিক সাহায্য লাগবে না। নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে শিখে নিতে পারবেন সব কিছু। এ পদ্ধতি যেকোন বিষয় শেখার জন্যই কাজে দিবে। এবং আপনি যদি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে কোন বিষয় শিখতে থাকেন আপনি ও এ পদ্ধতি অনুসরন করতে পারেন।  তাতে আপনার জ্ঞান অনেক বাড়োবে। এবং এটা সম্পুর্ন ফ্রি। ফ্রি বলতে পুরোই ফ্রি। মাসিক ইন্টারনেট বিল ছাড়া। আমি জানি না দক্ষরা কিভাবে শিখে। তবে আমি এ পদ্ধতি অনুসরন করি। এখানে আমি টেকনিক্যাল বিষয় গুলো কিভাবে শিখতে হয়, উদারহণ হিসেবে তা ব্যবহার করেছি। তবে যে কোন বিষয়েই এভাবে শিখে নেওয়া যাবে।

    আমার ভাষা বাংলা। তাই প্রথমে কোন বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য ঐ বিষয়ের উপর বাংলা কোন কন্টেন্ট আছে কিনা তা দেখে নিব গুগলের সাহায্যে। যেমন C এর জন্য লিখি ‘C টিউটোরিয়াল‘, বাংলায় সি’, অথবা শুধু ‘সি‘ ইত্যাদি। আবার PHP এর ক্ষেত্রে লিখি ‘PHP টিউটোরিয়াল‘, বাংলায় পিএইচপি‘, অথবা শুধু ‘পিএইচপি ইত্যাদি। হয়তো বাংলায় এত বেশি কন্টেন্ট নেই। তবে যা আছে, তা শুরু করার জন্য যথেষ্ট।  যদি আপনার ঐ কাঙ্ক্ষিত বিষয় সম্পর্কে কোন বাংলা কন্টেন্ট না থাকে তাহলে আপনি হয়ে যেতে পারেন পাইওনিয়ার বা অগ্রদূত। কিভাবে জানেন? নিজে নিজে ইংরেজী থেকে শিখে লিখে ফেলুন বাংলা কিছু টিউটোরিয়াল। অনেকের কাজে আসবে।

    আপনার হয়তো জেনে ভালো লাগবে যে, সার্চ করে কোন তথ্য বের করার ক্ষমতা ও একটা আর্ট, একটা ক্ষমতা. অনেকেরই এ ক্ষমতা নেই। অনেকেকেই বলতে শুনবেন আমি এটা খুজে পাচ্ছি না, আমাকে একটু খুজে দিবেন, তখন আপনি দেখবেন আপনি সার্চ করে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই বের করে দিতে পেরেছেন । হ্যাঁ অনেকেরই এ ক্ষমতা নেই। তাই আপনাকে আগে জানতে হবে কিভাবে সার্চটা করবেন। কিভাবে আপনার কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুজে বের করবেন ইন্টারেন্ট/ওয়েবের এই বিশাল রাজত্ত্ব থেকে। আপনি যদি সার্চ করে মোটামুটি কিছু তথ্য পেয়ে যান তা পড়তে থাকুন। না বুঝলে ও পড়তে থাকুন। তা নিয়ে চিন্তা করুন কিছু সময়। কি পড়ছেন, আমার কি কাজে আসবে বা আমি কেন শিখব এসব বিষয় আগেই জেনে নিন। তাহলে আগ্রহ বাড়বে। আর না হয় আপনি হতাশ হয়ে যাবেন।

    হোক আপনার বন্ধুদের থেকে বা হোক কোন বাংলা ব্লগ থেকে। আপনি এখন একটা বিষয় সম্পর্কে মোটামুটি জানেন, ঐ বিষয় সম্পর্কে আরো বেশি জানতে চান, বাংলায় আর কোন কন্টেন্ট নেই। আপনার বন্ধুদের কেউ জানে না ভালো। বা জানলে ও বেশি জানে, তাদের সময় নেই আপনাকে দেখিয়ে দেওয়ার। তাহলে আপনাকে কি করতে হবে জানেন? পরিশ্রম করার পরিমানটা বাড়িয়ে দিতে হবে। কিভাবে শেখা যায় তা নিয়েই ভাবতে হবে। এবার ইংরেজিতে ঐ বিষয় সম্পর্কে কন্টেন্ট খুঁজুন। শেখার পেছনে সময় দিতে একটুও কার্পন্য করবেন না, একটু ও না। আপনার সময়ের দাম যত বেশি হোক না কেন।

    প্রতিটি বিষয়ের বিশদ বর্ননা রয়েছে ইন্টারনেটে, বিষেষ করে প্রোগ্রামিং রিলেটেড টপিক্স গুলো। যেমন PHP এর প্রধান ওয়েব সাইটে Documentation নামে একটা লিঙ্ক রয়েছে যা একদম পরিপূর্ন। Java এর জন্য রয়েছে বিশাল টিউটোরিয়ালের সম্ভার Oracle এর ওয়েব সাইটে। Python এর জন্য তাদের টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে কিন্তু একদম ভুললে চলবে না। MySQL এর জন্য MySQL Documentation.  Microsoft এর সকল ডেভলপিং টুলস এর জন্য রয়েছে বিশাল টিউটোরিয়াল লাইব্রেরী যা খুব ছোট ছোট পার্টে করে সুন্দর ভাবেই তৈরি করা। তাছাড়া তাদের ডেভলপিং টুলস এর সাথে অফলাইন টিউটোরিয়াল ও দেওয়া থাকে। এরকম সব গুলো বিষয়ের জন্যই রয়েছে অনেক পরিপূর্ন টিউটোরিয়াল। এগুলো হচ্ছে আপনার হাতিয়ার। আপনাকে এসবের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। আসলে প্রথমে আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে শেখা যায়। তার পর ই শিখতে শুরু করুন। আপনি যদি নাই জানেন কিভাবে শিখব তাহলে শিখবেন কিভাবে? যারা একটা বিষয় পারে তাদের কাছে গিয়ে “ভাইয়া আমাকে এটা একটূ শিখান প্লিজ” না বলে ভাইয়া আমি এটা কিভাবে শিখব বা কিভাবে শুরু করব। আর তাই আপনার জন্য ভালো হবে।

    এলগোরিদম একটি নির্দিষ্ট বিষয় নয়। এটা অনেক বিশাল একটা বিষয়। তার এটার জন্য আপনাকে ঘাটতে হবে অনেক। জানতে হবে অনেক। তেমনি ডাটা স্ট্রাকচার। অনেক গুলো বিষয় মিলেই এসব বিষয় তৈরি। তাই প্রথম প্রথম এসব বিষয় সম্পর্কে না জানলে ও ক্ষতি নেই। আস্তে আস্তেই জানতে পারবেন। তবে অবশ্যই আপনাকে দৌড় এর মধ্যে থাকতে হবে, আর দৌড়টা হতে হবে জ্ঞানের জন্য। এই দুটি বিষয়ের জন্য উইকিপিডিয়া ঘাটতে হবে ভালো করে। আর বই এর বিকল্প কিছুই নেই। যেকোন একটা বিষয়ের জন্য একটা বই ফলো করতে ভুলবেন না।

    আচ্ছা, আপনি যদি টিউটোরিয়াল, ডকুমেন্টেশন পড়ে কিছু না বুঝেন কিন্তু আপনি ঐ বিষয় সম্পর্কে জানতে খুবি আগ্রহী। তাহলে কি করবেন জানেন? ইউটিউব এ ভিজিট করুন। আপনার কাঙ্গিত বিষয়, যেটা আপনি শিখতে চান তা লিখে সার্চ করুন। দেখবেন অনেক গুলো ভিডিও রয়েছে ঐ সম্পর্কিত। তারা আপনার জন্য কষ্ট করে ভিডিও তৈরি করে রাখছে আপানি শিখবেন বলে। ভিডিও দেখুন বসে বসে। হ্যা, এটা ঠিক কিছুদূর দেখার পর আপনার ঘুম আসবে কিছু না বুঝলে। জোর করে দেখুন। না বুঝলেও দেখুন। পরে টের পাবেন কি উপকারটাইনা আপনার হয়েছে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি টিউটোরিয়াল এবং ভিডীও এক সাথে ফলো করেন।

    অনলাইনে দারুণ সব কোর্স রয়েছে। কিছু পেইড, কিছু ফ্রি। ফ্রি গুলো দিয়েই শুরু করনে। যেমন কম্পিউটার শেখা, প্রোগ্রামিং, ওয়েব প্রোগ্রামিং সহ কয়েক হাজার টিউটোরিয়াল রয়েছে অনলাইনে। একটু সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন। বই পড়ার অভ্যাস গড়ুন। নীলক্ষেতে গেলে যে কোন টপিক্সের উপরই বই পাবেন। এছাড়া অনলাইনেও অনেক গুলো ওয়েব সাইট রয়েছে বই কেনার জন্য, যেমন রকমারি।

    ইউডেমির কথা কি মনে আছে? না থাকলে এখান থেকে একটু ঘুরে আসুন। এখানে ও রয়েছে অনেক গুলো বিষয়ের উপর অনেক গুলো টিউটোরিয়াল। রয়েছে অনেক গুলো ভিডিও, যে গুলোর বেশির ভাগই আপনার মত শিক্ষার্থীরাই আপলোড করেছে। আর প্রোগ্রামিং রিলেটেড কোণ কিছু শেখার জন্য আমার পছন্দ হচ্ছে উডাসিটি এবং কোর্সেরা। এদের প্রচুর ফ্রি কোর্স রয়েছে। টেক ব্যাকগ্রাউন্ডের হলে অবশ্যই এই দুইটা সাইট ভিজিট করবেন।

    ধন্যবাদ সবাইকে। সকলের ইচ্ছে পূরণ হোক। আল্লাহর কাছে এটাই চাওয়া।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • ইউডেমি – একটি অসাধারন অনলাইন একাডেমী

    ইউডেমি – একটি অসাধারন অনলাইন একাডেমী

    খান একাডেমির কথা আমরা সবাই জানি। গুগল থেকে পুরষ্কার পাপ্ত এ একাডেমী থেকে অনেকেই অনেক কিছু জানতে পারছে ফ্রীতে। তার বেশির ভাগই হচ্ছে ম্যাথম্যাটিক্যাল বা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য। আজ আরেকটি একাডেমির কথা বলব যার মধ্যে প্রায় সব বিষয়েরই কোর্স রয়েছে। যেমন, পদার্থ, গণিত, রসায়ন, স্কেচ আঁকা, প্রোগ্রামিং, আর্কিটেকচার, মিউজিক, ব্যবস্যা, আর্ট, ইয়োগা, ভিবিন্ন ভাষা শিক্ষা, মোটর ড্রাইভিং, গেমস, গিটার, ড্রাম, বেহালা, মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, IELTS, Spoken English সহ আরো হাজার রকমের কোর্স। এখানের কিছু রয়েছে ফ্রী কিছু রয়েছে পেইড। তবে ফ্রী গুলো দিয়েই আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন। সাইটটি হচ্ছে udemy.com। এটি সম্পুর্ন একটি অনলাইন একাডেমি। 

    এত গুলোর বিষয়ের মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভলপিং, সার্চ ইঞ্জিন অফটিমাইজেশন, গণিত এসবের কোর্সই বেশি। অন্যান্য বিষয়ের কোর্সের ও অভাব নেই। খুজে নিন আপনার প্রিয় বিষয়টি। আর শিখতে থাকুন।

    আপনি যদি কোন কিছু পারেন এবং তাকে সবার সাথে শেয়ার করতে চান তাহলে ও পারবেন এবং তা থেকে আপনি আয় ও করতে পারবেন। আপনি যা পারেন তা এবার টেক্সট, ভিডিও, অডিও, অথবা প্রেজেন্টেশন তৈরি করে আপলোড করে দিন। এবার আপনার এসব দেখতে হলে কতটাকা দিতে হবে তা নির্ধারন করেদিন। এবার কেউ আপনার আপলোড কৃত বিষয়ে আগ্রহী হলে সে তা টাকা দিয়ে কিনে পড়বে এবং আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। ভালো না? সাইন আপ করতে ও বেশি কষ্ট করতে হবে না ভিজিট করুন  udemy.com এবং ফেসবুক দিয়ে কানেক্ট করুন, ব্যাস আপনি আপনার কোর্স আপলোড করতে পারবেন।

     যাই হোক আপনি যদি এত এক্সপার্ট না হন তাহলে তো আর আপনার নিজের কোর্স আপলোড করতে যাবেন না। আপনি যাবেন শিখতে। অনেক ভালোভালো বিষয়ের কোর্স গুলো ফ্রীতে পাওয়া যায়। ঠিক মত ফলো করলে এক্সপার্ট হতে বেশি সময় লাগবে না। আর বাড়তি জানার জন্য তো ইন্টারনেট আছেই, যে টার্ম বুঝবেন না তা সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে সার্চ করুন পেয়ে যাবেন আপনার বুঝার মত তথ্য।।

    ইউডেমির মত আরো অনেক সাইট রয়েছে। নিছের লেখাটি দেখতে পারেন বিস্তারিত জানতেঃ

    নিজেকে কোন বিষয় এক্সপার্ট করে তোলার জন্য কয়েকটি সাইট

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • নিজেকে কোন বিষয় এক্সপার্ট করে তোলার জন্য কয়েকটি সাইট

    নিজেকে কোন বিষয় এক্সপার্ট করে তোলার জন্য কয়েকটি সাইট

    চারটি ওয়েব সাইট শেয়ার করি। যে গুলো থেকে কম্পিউটার সাইন্স সহ অনেক গুলো বিষয় অনলাইন থেকেই শিখে নেওয়া যায়। বেশির ভাগ কোর্স ফ্রি। মজার পার্ট হচ্ছে কোর্স গুলো অনেক গোছানো। একটা কোর্স ঠিক মত শেষ করতে পারলে অনেক কিছু সম্পর্কে জানা যাবে। সাইট গুলোঃ

    এগুলোর মধ্যে udacity কোর্স গুলো আমার বেশি ভালো লাগে। অল্প কয়েকটা কোর্স কিন্তু খুবি দরকারী। এগুলোর বেশির ভাগই কম্পিউটার সাইন্স রিলেটেড।
    কম্পিউটার সাইন্সের প্রায় সব বিষয় অনলাইন শিখতে চাইলে Open Source Society এর এই গিট রিপোটি দেখা যেতে পারেঃ https://github.com/open-source-society/computer-science
    অনলাইনে কম্পিউটার সাইন্সের যত ফ্রি রিসোর্স রয়েছে, সব গুলো গুছিয়ে সাজানো হয়েছে। দরকার একটু সময় দেওয়া এবং শিখতে থাকা।

    হ্যাপি লার্নিং 🙂

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন