Tag: Course

  • চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন

    চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন

    গ্র্যজুয়েশন শেষ করার পর আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হয় একটি চাকরি খোজা। অনেকেই আবার গ্র্যাজুয়েশনের আগেই চাকরি খোজা শুরু করে। প্রয়োজনের তাগিদে তখন পড়া লেখা শেষ করার আগেই চাকরিতে প্রবেশ করে। এবং নাম মাত্র মূল্যে নিজের জীবনের অমূল্য সময় গুলো বিক্রি করতে থাকে।

    পরিচিত অপরিচিত সবার কাছ থেকেই একটা প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়। কি কর তুমি? যদি কোন ইনিস্টিটিউটে ভর্তি থাকি, বলা যায়, পড়ালেখা করি। যদিও পড়া লেখা করতে ইন্সটিটিউট এর প্রয়োজন হয় না।

    যদি কোথাও না পড়ি, তখন যদি বলি কিছু করি না। তখন প্রশ্ন কর্তার অভিব্যাক্তি অবশ্যই ভালো দেখায় না। আর উত্তর যদি হয় জব করি, ঐ কম্পানিতে, তখন অবশ্যই অভিব্যাক্তি দারুণ দেখায়। কিন্তু চাকরি করা থেকে অনেক ভালো কিছু রয়েছে করার মত। চাকরি বলতে যদি বুঝায় টাকা উপার্যন করা।তবে সৎ ভাবে টাকা উপার্জন করার অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে।

    চাকরি বলতে যতক্ষন কাজ করা, ততক্ষনই টাকা। কাজ বন্ধ তো টাকা ও বন্ধ। আর মাসের শেষে একটা এমাউন্ট। যা প্রথম সপ্তাহেই শেষ হয়ে যায়। মাসের বাকি দিন গুলো আবার এদিক ঐদিক করে চলতে হয়।

    কেমন হয় যদি সারাক্ষনই টাকা উপার্জন হতে থাকে? কাজ করলেও, কাজ না করলেও? সারাক্ষন উপার্জন করা কি অসম্ভব কিছু? অবশ্যই না। অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে। ব্যবসা করা, ইনভেস্ট করা, ক্রিয়েটিভ কাজ করা যেমন ডিজাইনিং, ডেভেলপিং, লেখালেখি/ব্লগিং, ফটোগ্রাফি, সহ আরো অনেক। এগুলো থেকে রয়ালিটি ইনকাম আসতে থাকে। প্রথম প্রথম সময় দিতে হয়। এর পর আর তেমন সময় না দিলেও হয়। প্রথম প্রথম যে সময় দিতে হয়, তা একটি চাকরি খোজার সময় থেকেও কম। অনেক কম কষ্টের।

    চাকরি করলে নিজের বেতন বাড়বে না। বছরে দুই এক বার সামান্য কিছু বাড়ানো হয়। কিন্তু নিজের কাজ নিজে করলে ইচ্ছে করলেই বেতন বাড়িয়ে নেওয়া যায়। শুধু মাত্র পরিশ্রম একটু বাড়িয়ে দিলেই হয়।

    চাকরি খোজার জন্য অনেকেই অনেক ট্রেনিং নেয়, বা অনেক গুলো বই পড়ে। অথচ ঐ বই বা ট্রেনিং চাকরি করার জন্য না নিয়ে নিজের স্কিল বাড়ানোর জন্য নিলে দারুণ কিছু শেখা যেতো। যে গুলো কাজে লাগিয়ে আরো ভালো কিছু করা যায়।

    চাকরি করলে মানুষের অভিজ্ঞতা একটা বিষয়ের উপর থাকে। সব্ কিছুই দিন দিন পরিবর্তন হচ্ছে। এক সময় নতুন বিষয় নিয়ে কাজ করতে হলে তখন নিজেকে আর মানিয়ে নিতে পারে না। এতে অনেকেরই হয়তো চাকরি ছেড়ে দিতে হয়।

    সব সময়ই মনের মধ্যে একটা ভাব থাকে, সব কিছু ঠিক মত হচ্ছে তো? চাকরি চলে যাবে না তো। বস রাগ করবে না তো। ইত্যাদি। অথচ নিজের কোন কাজ হলে এসব চিন্তা করার কোন মানে হয় না।

    আচ্ছা, চাকরি কি মানুষকে ভিতু বানাতে সাহায্য করে না? মাস শেষে অল্প কিছু টাকা হাতে পায়। অনেকের হয়তো ঐ অল্প টাকাতেই হয়ে যায়। আবার কারো কারো অনেকের দ্বায়িত্ব নেওয়ার কারণে ঐ অল্পতে হয় না। যারা সৎ থাকতে পারে, তারা হয় বাড়তি কাজ করার চেষ্টা করে। আর না হয় অনেকেই নিজের সততাকে বিকিয়ে দেয়। নষ্ট করে মানুষের স্বাধীনতা। সবচেয়ে অমুল্য জিনিশ।

    এছাড়া চাকরি করলে নিজের ইচ্ছে মত কখনোই ছুটি কাটানো যায় না। অনেক সময় দরকারের সময়ও ছুটি পাওয়া যায় না। এসব ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সাররা ভালো একটা সুবিধে করতে পারে। যখন দরকার তখন ছুটি কাটানো যায়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদের ও সারাক্ষন কাজ করতে হয়। এক সপ্তাহ কাজ না করলে পরের সপ্তাহ খরচ করার মত টাকা থাকে না, যদি না সে আগে সেভ করে রাখে। আর সব থেকে ভালো পন্থা হচ্ছে একটা প্যাসিভ ইনকামের পথ তৈরি করা। যেখানে কাজ না করলেও একটা ইনকাম আসবে। তবে তার জন্য অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।

    চাকরি করার প্রতি অবহেলা নয়। কিন্তু অনেকেই চাকরি পাওয়ার জন্য অনেক কিছু করে। চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে যায়। এক অফিশ থেকে আরেক অফিশে সিভি জমা দিতে দিতে নিজের অমূল্য সময় নষ্ট করে। এমনকি অসৎ পন্থাও অবল্বন করে। কিন্তু চাকরি করা থেকেও যে ভালো কিছু করা যায়, তা জানানোর জন্যই এ লেখা।

    অনেক গুলো পন্থার কথা লিখছি, চাকরি করা ছাড়াও করা যায়, সেগুলো নিয়ে লেখা যাক। প্রথমেই লিখছিলাম ব্যবসা করার কথা। ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা আমার নেই। ব্যবসা অবশ্যই চাকরি করা থেকে ভালো। নিজের ব্যবসা করার মত অভিজ্ঞতা না থাকলে যাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান আছে, তাদের সাথে পার্টনার হয়ে ইনভেষ্ট করা যেতে পারে।

    যদি ইনভেস্ট করার মত টাকা না থাকে? আরো অনেক গুলো পথ রয়েছে। অফলাইনে করার মত হয়তো অনেক গুলো পথ থাকতে পারে। আমার জানা না থাকার কারণে লিখছি না। অনলাইনে যে সব কাজ করা যেতে পারে, সেগুলো নিয়ে লিখছি। তার মধ্যে ডিজাইনিং অন্যতম।

    ডিজাইনিং
    ডিজাইনিং শিখে নিজের করা ডিজাইন গুলো অনলাইনে অনেক গুলো সাইটেই আপলোড করা যায়। যে গুলো পরে বিক্রি হলে নিজের একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকে। প্রথম প্রথম হয়তো তেমন কোন টাকা আসবে না, কিন্তু এক সময় প্রতি মাসেই একটা ভালো রেভিনিউ আসতে থাকবে। যা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। এরকম ডিজাইন সেল করার সাইটের মধ্যে http://graphicriver.net/ অন্যতম। এছাড়া এ লেখাটিও দেখা যেতে পারে। অনলাইনে ডিজাইন/গ্রাফিক্স সেল করার ৪০টি সাইট।

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট জানা থাকলে ওয়েব সাইট তৈরি করা যেতে পারে। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ওয়েব সাইট তৈরি করে তা থেকে সহজেই আয় করা যায়। এডভার্টাইজ বা এফিলিয়েট এর মাধ্যমে। এখানেও প্রথম প্রথম কিছু দিন সময় দেওয়ার পর একটা নির্দিষ্ট সময় পর ভালো রেভিনিউ আসতে থাকে।

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ভালো ভাবে জানা থাকলে ওয়েব সাইটের জন্য টেমপ্লেট তৈরি করা যেতে পারে। যে গুলো সেল করে একটা ভালো রয়ালিটি ইনকাম জেনারেট করা যেতে পারে। এ ওয়েব টেমপ্লেট সেল করার উল্যেখযোগ্য সাইট হচ্ছে http://themeforest.net/ এরকম আরো অনেক গুলো রয়েছে অনলাইনে। একটু সার্চ করলেই পাওয়া যাবে। যেমনঃ 10 Places to Sell Templates

    ভিডিও তৈরি

    নিজে কোন বিষয় দক্ষ হলে আরেক জনে কিভাবে তা শিখতে পারে, তার ভিডিও তৈরি করে সহজেই রেভিনিউ জেনারেট করা যায়।  ইউটিউব সুন্দর একটি জায়গা। এ ছাড়াও রয়েছে Coursera এর মত অনেক ওয়েব সাইট। যেখানে কোন বিষয়ের উপর টিউটোরিয়াল তৈরি করে সেল করা যায়। ভিডিও তৈরি করা এমন কোন কঠিন কাজ নয়।

    এছাড়া কোন একটা জায়গার ভিডিও করে তা থেকেও আয় করা যায়। আপনার এলাকার কোন জায়গার উপর ভিডিও তৈরি করতে পারেন। সেখানে তো সবাই যেতে পারে না। কিন্তু অনেকেই যেতে চায় বা দেখতে চায়। আর তাই এমন ভিডিও তৈরি করে আপলোড করলেও ভালো কিছু করা যায়। সিম্পল, কিন্তু ভালো রেভিনিউ।

    সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট

    ডেভেলপমেন্ট জানলে সফটওয়ার তৈরি করা যেতে পারে। ভালো আইডিয়া থাকলে এবং ভালো সফটওয়ার তৈরি করতে পারলে একটা সফটওয়ার থেকেই যথেষ্ট রেভিনিউ আসতে থাকবে। সব সময় যে বড় কোন প্রজেক্ট করতে হবে তা না, সিম্পল কিন্তু ইফেক্টিভ কিছু দিয়েই ভালো কিছু করা সম্ভব। ক্রিয়েটিভ হলে ছোট খাটো কিন্তু কাজের সফটওয়ার তৈরি করা তেমন কঠিন কিছু না।

    মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

    এছাড়া এখন মোবাইল মার্কেট গুলোতে রয়েছে ভালো ক্যারিয়ার। এন্ড্রয়েড, আইফোন বা উইন্ডোজ ফোনের জন্য অ্যাপ তৈরি করা যেতে পারে। যে সময় ধরে মানুষ চাকরি খুজবে, তার থেকে কম সময়ের মধ্যে এসব ডেভেলপমেন্ট স্কিল শেখা যায়। এক রাতেই মিলিনিয়ার হওয়ার মত অনেক গুলো সুন্দর সুন্দর গল্প রয়েছে মোবাইল অ্যাপ নিয়ে। রয়ালিটি ইনকামের জন্য অ্যাপ সেলিং অবশ্যই সুন্দর এবং ভালো একটা পন্থা।  সহজেই শেখা যায় এবং খুব দ্রুত রেভিনিউ জেনারেট করা যায়।

    ফটোগ্রাফি

    অনেকের কাছেই DSLR ক্যামেরা দেখা যায়। ক্যামেরা দিয়ে শুধু যে বিয়ে বা কোন জন্মদিনের পার্টির ফটোগ্রাফি করে আয় করা যায়, তা না। আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পথ রয়েছে। নিজের ফটো ব্লগ খুলে তা থেকে আয় করা যায়। কোন একটা বিষয় খুজে তার উপর ফটোগ্রাফি করা যেতে পারে। অনলাইনে অনেক গুলো সাইট রয়েছে ফটো সেল করার। যে গুলো দেখা যেতে পারে। যেমনঃ Top 10 sites to sell your photos online

    Affiliate Marketing

    Affiliate Marketing করে ও ভালো একটা রেভিনিউ জেনারেট করা যায়। তবে তো জানতে হবে কিভাবে করতে হয়! জানাটাও সহজ। কোন ইনিস্টিটিউটের দরকার পড়ে না এখন আর। Google এ গিয়ে সার্চ করলেই অনেক গুলো টিউটোরিয়াল হাজির হবে। একটা থেকে দেখা বা পড়া শুরু করলেই আস্তে আস্তে শিখে নেওয়া যাবে। দরকার ধৈর্য্যের।

    লেখালেখি

    লেখা লেখি সব সময়ই রয়ালিটি ইনকাম করার সুন্দর একটা পন্থা। ইনটারনেটের কারণে এটা আরো সহজ এবং ইফেক্টিভ। ওয়েব সাইট খুলে নিজের পছন্দের বিষয় এর উপর লিখলে এবং ওয়েব সাইটে অ্যাড দিয়ে সুন্দর একটা রেভিনিউ জেনারেট করা যায়। ফুটবল, ক্রিকেট বা যেকোন খেলা, রান্না বান্না, বই এর রিভিউ, মুভি রিভিউ সহ যে কোন বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা যায়। একই সাইটকে ব্যবহার করা যায় Affiliate Marketing এর জন্য।

    এগুলো ছাড়াও আরো অনেক গুলো বিষয় রয়েছে যে গুলো নিয়ে কাজ করা যায়। রিসার্সে একটু সময় দিলেই বের করা সম্ভব। খুজে বের করতে হবে নিজে কোনটাতে ভালো। নিজের কাছে কি ভালো লাগে। এছাড়া উপরের বিষয় গুলোতে নিজে নিজে কিছু করতে না পারলে অনেক কাজ পাওয়া যায়। যাকে আমরা ফ্রিল্যান্সিং বলি আরকি! নিজে নিজে প্রথম প্রথম কিছু না করতে চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের জ্ঞান বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। এর পর নিজের কাজ নিজেই শুরু করলে সুন্দর একটা প্যাসিভ ইনকাম এর উৎস তৈরি হবে। তখন সব সময় কাজ করার চিন্তা না করলেও হবে। ২৪ ঘন্টাই নিজের একাউণ্টে টাকা জমা হতে থাকবে। নিজে কোথায় থাকি, তা কোন ব্যাপার নয়। উপভোগ করা যাবে সুন্দর জীবন, স্বাধীন জীবন। সত্যিকারের স্বাধীনতা। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানার জন্য এই লেখাটা পড়তে পারেন।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • Google adsense কি ? গুগল এডসেন্সের থেকে কিভাবে আয় করবেন

    Google adsense কি ? গুগল এডসেন্সের থেকে কিভাবে আয় করবেন

    গুগল এডসেন্স হলো গুগল দ্বারা চালিত এমন একটি অনলাইন প্লাটফর্ম বা প্রোগ্রাম যেটার ব্যবহার করে একজন পাবলিশার নিজের অনলাইন কনটেন্ট থেকে রোজগার করার দারুন একটি সুযোগ পেয়ে থাকে। আপনার ওয়েবসাইটে থাকা বিষয়বস্তু এবং দর্শক দের ওপর ভিক্তি করে এডসেন্স আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন প্রেরণ করে থাকে যার মাধ্যমে একজন পাবলিশার হিসেবে আপনি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে দেখানো বিজ্ঞাপন গুলো বিভিন্ন বিজ্ঞাপনদাতাদের (advertisers) দ্বারা তৈরি করে চালানো হয় তাদের পণ্য বা পরিষেবা গুলোকে অনলাইনে প্রচার করার উদ্দেশ্যে।

    Google AdSense কি বা এর কাজ কি এই দুটো প্রশ্নোর উত্তর যদি আপনি জানতে চাইছেন, তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন।

    আজকের এই আর্টিকেলে আপনাকে গুগল এডসেন্স কি এবং এর দ্বারা আপনি অনলাইন ইন্টারনেট থেকে কিভাবে টাকা আয় করতে পারবেন এই বিষয়ে বুঝিয়ে বলবো। এডসেন্স থেকে আজ হাজার হাজার লোকেরা লক্ষ লক্ষ টাকা ঘরে বোসে অনলাইন আয় করছে। কিন্তু কিভাবে ?

    কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে আয় করা যাবে এবং এডসেন্সের কাজ কি। আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো শুনেছেন যে, blogging বা YouTube channel বানিয়ে এডসেন্সের মাধ্যমে লোকেরা অনেক টাকা আয় করছেন।

    শুনেছেন তো ?

    তাই হয়তো আপনিও এডসেন্স কি তা জানতে চাচ্ছেন। কিন্তু, কেবল ব্লগ বা ইউটিউবে চ্যানেল বানালেই তা থেকে টাকা আয় করা যায়না। টাকা আয় করার জন্য এডসেন্সের ভূমিকা প্রধান।

    আজ, ইন্টারনেট থেকে অনলাইন ইনকাম করা তেমন কিছু কঠিন কাজ না।আপনিও যদি চান তাহলে অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন। আর, অনলাইন টাকা আয় করার জন্য সবথেকে জরুরি জিনিসটাই হলো Google AdSense. হে, এইটা সত্যি যে ইন্টারনেটে আয় করার জন্য অন্য অনেক উপায় বা সমাধান রয়েছে।

    মনেরাখবেন যে Google এডসেন্স সবচে বিশ্বাসী, সোজা এবং সহজ উপায় অনলাইন টাকা আয় করার।আর, যা আমি আগেই বললাম এর দ্বারা লোকেরা অনেক টাকা আয় করছেন। আসলে, সত্যি বলতে গেলে আমি বা আপনি বা যে কেউ Google এডসেন্স থেকে অনলাইন টাকা আয় করতে পারবে।

    কিন্তু, তার জন্য আপনার সঠিক নিয়ম এবং উপায় জানার সাথে কঠিন কাজ করার ক্ষমতা থাকতে হবে। কারণ, বিনা কোনো কর্ম বা কাজ করে কেও কিছু পায়না।

    তাই, নিচে আমি এডসেন্স কি, এর কাজ কি এবং গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় কিভাবে করা যাবে এর বেপারে বলবো।

    Google AdSense কি ?

    গুগল এডসেন্স গুগলের এমন একটি সার্ভিস যার দ্বারা advertiser রা টাকা দিয়ে যেকোনো বিজ্ঞাপন ইন্টারনেটে দেখাতে পারেন এবং publisher রা নিজের blog, YouTube video তে গুগলের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অনলাইন টাকা আয় করতে পারেন।

    এইটা সোজাসোজি একটি advertising network যার দ্বারা ব্লগ এবং ওয়েবসাইট মালিকেরা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন।

    Advertiser তারা যারা গুগল কে টাকা দিয়ে নিজের বিজ্ঞাপন ইন্টারনেটে দেখাতে চান।

    Publishers তারা যারা গুগলের বিজ্ঞাপন নিজের ব্লগ বা ভিডিওর মাধ্যমে লোকেদের দেখান।

    তাই, এডসেন্স এমন একটি মাধ্যম যার দ্বারা আপনি অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন। কিন্তু, তার জন্য আগে আপনার একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট, app বা YouTube চ্যানেল থাকতে হবে।

    এই মাধ্যম গুলি ব্যবহার করে আপনি এডসেন্সের জন্য apply করতে পারবেন এবং এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

    গুগল এডসেন্সের কাজ কি ?

    এডসেন্সের কাজ বিশেষ করে হলো অনেক রকমের ব্লগ, ওয়েবসাইট, ভিডিও এবং app এ বিজ্ঞাপন দেখানো এবং যাদের ব্লগ বা ভিডিও গুলিতে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে তাদের কে টাকা দেওয়া।

    কিন্তু, এই বিজ্ঞাপন যেগুলি আমাদের ওয়েবসাইট বা ভিডিওতে দেখানো হয় সেগুলির জন্য গুগল আগেই advertiser দেড় থেকে টাকা নিয়ে নেয় এবং সেই টাকার থেকে ব্লগ বা ভিডিও মালিকদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল টাকা দেয়।

    এখন আপনি হয়তো ভাবছেন এখানে গুগলের কি লাভ ? তাই তো ?

    এইখানে গুগলের যথেষ্ট লাভ আছে।

    কারণ, advertise রা বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল কে যতটা টাকা দেয় সেই পুরোটা গুগল publisher দেড় বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য দেয়না।

    Advertiser রা দেওয়া টাকার থেকে গুগল নিজের কাছে কিছু অংশ নিজের কাছে রেখে দেয় এবং কিছু অংশ ব্লগ, ভিডিও বা app মালিকদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য দেয়। এখানে গুগল এবং ওয়েবসাইট বা app বা YouTube চ্যানেল মালিকদের নিয়ে সবাইর একসাথে লাভ হয়।

    গুগল এডসেন্স কিভাবে টাকা দেয় ?

    যখন আমরা নিজের ব্লগ, ওয়েবসাইট, app বা ইউটুব ভিডিওতে এডসেন্সের বিজ্ঞাপন লাগাই বা দেখাই তখন তাতে বিভিন্ন রকমের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়।

    আর, যখন আমাদের ব্লগ বা ভিডিওতে দর্শক (visitors) আসেন এবং তারা যখন সেই বিজ্ঞাপন গুলি দেখে এবং তাতে ক্লিক করে তখন গুগল এডসেন্স সেই view বা click এর জন্য আপনাকে কিছু টাকা দেয়।

    আর, এরকম করে বিজ্ঞাপনে view এবং ক্লিক হোতে হোতে যখন আপনার AdSense একাউন্টে মোট ১০০$ (ডলার) হয়ে যায় তখন গুগল আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়।

    এডসেন্সের জন্য এপ্লাই কিভাবে করবো ?

    আমি আগেই বলেছি, এডসেন্সের থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনার একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট বা YouTube চ্যানেলের আবশ্যক হবে। কারণ, এডসেন্সের বিজ্ঞাপন আপনি তখন দেখতে পারবেন যখন আপনার কাছে একটি ব্লগ, ওয়েবসাইট, app বা YouTube চ্যানেল থাকবে।

    এইগুলির মধ্যে কিছু একটাও যদি আপনার কাছে থাকে তখন Google adsense এর ওয়েবসাইট গিয়ে sign up করে form fill-up করে আপনি একটি এডসেন্স একাউন্টের জন্য apply করতে পারবেন।

    আপনি যদি Blogger বা YouTube চ্যানেল ব্যবহার করছেন তাহলে আপনি নিজের ব্লগার বা ইউটিউব চ্যানেলের account থেকে এডসেন্সের জন্য apply করতে হবে। এডসেন্সের জন্য apply করার সাথে সাথে আপনার একাউন্ট, ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুগল দ্বারা accept নাও হতে পারে।

    মানে, একবারে গুগল আপনার এডসেন্স একাউন্ট চালু নাও করতে পারে। এবং, হয়তো আপনার একবারের থেকে বেশি এডসেন্সের জন্য apply করতে লাগতে পারে। মনে রাখবেন, একেবারেই এডসেন্স একাউন্ট চালু (active) করার জন্য আপনি গুগল এডসেন্সের program policies, শর্ত (terms & conditions) গুলি মেনে তারপর apply করবেন।

    এর বাইরে, আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে এডসেন্সের জন্য নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা আছে কি না তা আপনার অবশই জেনেনেয়া উচিত। এতে, এডসেন্স আপনার একাউন্ট একেবারেই চালু করে দিতে পারে। আর, আপনার একাউন্ট accept বা reject যাই হোক তা আপনাকে গুগল ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে।

    মনে রাখবেন, কেবল গুগল দ্বারা আপনার একাউন্ট accept হওয়ার পর আপনি নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইট বিজ্ঞাপন লাগিয়ে টাকা আয় করা আরম্ভ করতে পারবেন।

    Google এডসেন্সের থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন ?

    গুগল এডসেন্সের থেকে অনলাইন টাকা আয় করার জন্য আপনার একটি ব্লগ বা YouTube চ্যানেল বানাতে হবে। ব্লগ বানালে তাতে আপনি নিয়মিত ভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে। এবং, ইউটিউব চ্যানেল বানালে আপনার তাতে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করতে হবে।

    যখন আপনার ব্লগ বা YouTube চ্যানেলে visitors বা দর্শক (traffic) আশা শুরু হবে তখন আপনি গুগল এডসেন্সের জন্য এপলাই করুন। এডসেন্স যদি আপনার একাউন্ট চালু করে দেয় তখন আপনি নিজের ব্লগ বা ভিডিও তে বিজ্ঞাপন দেখাতে পারবেন।

    যতবার আপনার ব্লগ বা ভিডিও তে দেয়া বিজ্ঞাপন লোকেরা দেখবে বা তাতে ক্লিক করবে ততবার আপনাকে এডসেন্সের তরফ থেকে টাকা দেয়া হবে। এবং, যখন আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার হয়ে যাবে তখন আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেয়া হবে।

    FAQ:

    গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করা যায় ?

    গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করার জন্যে আপনাকে একটি blog বা YouTube channel খুলতে হবে। একবার আপনার চ্যানেল বা ব্লগে দর্শক আসতে শুরু করলে তারপর adsense.google.com ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি এডসেন্স একাউন্টের জন্যে এপলাই করতে হবে। আপনার একাউন্ট এপ্রুভ হয়ে গেলে তারপর নিজের ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

    অ্যাডসেন্স প্রতি 1000 ভিউতে কত টাকা দেয় ?

    এই প্রশ্নের উত্তর প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা। অনেকে ১০০০ ভিউতে ৫-১০ ডলার ইনকাম করছেন আবার অনেকে এই একি ভিউতে ১ ডলার ও ইনকাম করতে পারছেননা। আপনার ব্লগে যদি ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশ এর মতো লোকেশন থেকে অধিক দর্শক বা ভিয়ার্স আসছে তাহলে ১০০০ ভিউতে প্রায় ০.৪৫ থেকে ১.৫ ডলার ইনকাম করার সম্ভাবনা থাকছে।

    অ্যাডসেন্স এর মালিক কে ?

    Google AdSense হলো গুগল দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত একটি প্রোগ্রাম।

    গুগল অ্যাড ও গুগল অ্যাডওয়ার্ড এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

    গুগল অ্যাড হলো গুগলের সেই প্রোগ্রাম যার দ্বারা বিজ্ঞাপনদাতারা গুগলকে টাকা দিয়ে তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন গুলো গুগলের মাধ্যমে চালাতে ও পরিচালনা করতে পারেন। তবে, গুগল এডসেন্স হলো সেই প্রোগ্রাম যেটাকে মূলত ওয়েবসাইট ও ব্লগ প্রকাশক (publishers) দের দ্বারা বিজ্ঞাপন গুলোকে অনলাইনে প্রদর্শন করানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।

    শেষ কথা,

    আশাকরি গুগল এডসেন্স কি এবং এর কাজ আমি আপনাদের বুঝতে সফল হয়েছি। What is Google Adsense নিয়ে লিখা আমাদের আজকের আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকলে আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার অবশই করবেন। এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

  • Become Full Stack Developer at $0.

    Become Full Stack Developer at $0.

    Yes, you read it right!

    Like and comment to help others 🙂

    Become a Full Stack Developer with these free YouTube resources.

    📌 Front-end development:

    :: HTML : https://lnkd.in/diPn6dmY

    :: CSS : https://lnkd.in/dxiqejn8

    :: JavaScript : https://lnkd.in/dugrJaji

    :: JavaScript Algorithms and Data Structures: https://lnkd.in/dTKET6Y5

    { Choose Any One Framework From Below} ⬇

    :: React JS: https://lnkd.in/dgJkYgfF

    :: Angular JS: https://lnkd.in/dafhfSyR

    :: Vue JS: https://lnkd.in/dT83qr8U

    📌 Back-end development:

    :: Node JS: https://lnkd.in/ddw23vDh

    :: Express JS: https://lnkd.in/dVS7yBME

    📌 Databases:

    :: MongoDB: https://lnkd.in/dASthf9y

    :: SQL: https://lnkd.in/dxFSk7TH

    :: APIs: https://lnkd.in/dk5isxJp

    :: GraphQL: https://lnkd.in/dxGD5tWG

    📌 Projects:
    Once you have a good understanding of the fundamentals, you can start building your own full-stack web applications. Here are some resources to help you get started:

    :: https://lnkd.in/d9Kz4K5y

    :: https://lnkd.in/dbzDUtbR

    📌 Additional resources:

    freeCodeCamp: https://lnkd.in/dk6ADJDQ

    Codecademy: https://lnkd.in/d2U6tyZP

    Udemy: https://www.udemy.com/

    Coursera: https://www.coursera.org/

    W3Schools.com: https://www.w3schools.com/

    This roadmap should give you a good starting point for learning full-stack web development. With hard work and dedication, you can become a full-stack developer in a few months.

    Keep learning!!!

    Want to add something? Welcome to comment section.

    —————————-

    fullstack  webdevelopment frontend backend database sql webdesign

    Free E-book : Full-stack web development

  • Code to Create: Showcasing Web Development Projects

    Code to Create: Showcasing Web Development Projects

    Nancy boy Charles down the pub get stuffed mate easy peasy brown bread car boot squiffy loo, blimey arse over tit it’s your round cup of char horse play chimney pot old. Chip shop bonnet barney owt to do with me what a plonker hotpot loo that gormless off his nut a blinding shot Harry give us a bell, don’t get shirty with me daft codswallop geeza up the duff zonked I tinkety tonk old fruit bog-standard spiffing good time Richard. Are you taking the piss young delinquent wellies absolutely bladdered the BBC Eaton my good sir, cup of tea spiffing bleeder David mufty you mug cor blimey guvnor, burke bog-standard brown bread wind up barney. Spend a penny a load of old tosh get stuffed mate I don’t want.

    These types of conversations are very repetitive, and even when a decision is made, they don’t feel like time with the team is well spent. There are so many questions to be answered.
    James T. Eggert

    Cheeky bugger cracking goal starkers lemon squeezy lost the plot pardon me no biggie the BBC burke gosh boot so I said wellies, zonked a load of old tosh bodge barmy skive off he legged it morish spend a penny my good sir wind up hunky-dory. Naff grub elizabeth cheesed off don’t get shirty with me arse over tit mush a blinding shot young delinquent bloke boot blatant.

    Are you taking the piss young delinquent wellies absolutely bladdered the Eaton my good sir, cup of tea spiffing bleeder David mufty you mug cor blimey guvnor, burke bog-standard brown bread wind up barney. Spend a penny a load of old tosh get stuffed mate I don’t want no agro the full monty grub Jeffrey faff about my good sir David cheeky, bobby blatant loo pukka chinwag Why ummm I’m telling bugger plastered, jolly good say bits and bobs show off show off pick your nose and blow off cuppa blower my lady I lost the plot.

    Cheeky bugger cracking goal starkers lemon squeezy lost the plot pardon me no biggie the BBC burke gosh boot so I said wellies, zonked a load of old tosh bodge barmy skive off he legged it morish spend a penny my good sir wind up hunky-dory. Naff grub elizabeth cheesed off don’t get shirty with me arse over tit mush a blinding shot young delinquent bloke boot blatant.

  • MongoDB Cheat Sheet 🚀

    MongoDB Cheat Sheet 🚀

    It’s a valuable resource for anyone interested in mastering MongoDB.

    If you liked it, please give it a 👍Like and 🔁Share it with your network.

    Share your thoughts in the 💬Comments below!

    Happy Learning🤗

    Credit: JavaScript Mastery

    download Free e-book

  • ফ্রিল্যান্সিং কি এবং শুরু করার জন্য গাইড লাইন

    ফ্রিল্যান্সিং কি এবং শুরু করার জন্য গাইড লাইন

    ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার (A to Z)

    ফ্রিল্যান্সিং কি ও এ বিষয়ক কয়েকটি ছোট খাট প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমার এই পোস্ট। যে কয়েকটি প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে যে কারো মনে উঁকি দিতে পারে। 

    আজ, ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসা (freelancing business) করে অনেকেই ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা আয় করছেন। এবং, অনেকেই এতো টাকা ইনকাম করে নিচ্ছেন, যে কোনো ফুল টাইম জব বা চাকরি থেকেও এতো আয় করা সম্ভব নাকিন্তু, ফ্রিল্যান্সিং করে স্বাধীন ভাবে আয করার জন্য, আপনার প্রথমে কিছু জরুরি কথা এর বিষয়ে জেনেনিতে হবে।এই জরুরি বিষয় গুলি হল –

    • ফ্রিল্যান্সিং কেন করব?
    • ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়?
    • আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে freelancing করব?
    • ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। আমি কি করব?
    • আমার কি কি শিখা উচিত?
    • আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
    • আমি কিভাবে freelancing শুরু করব।
    • আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।
    • আমি কাজ পারি, বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না।
    • কভার লেটার লেখার নিয়ম
    • টাকা কিভাবে পাবো?

    ফ্রিল্যান্সিং কি ? (What Is Freelancing In Bangla) 

    সোজা ভাবে বললে, ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি আলাদা মাধ্যম বা উপায়, যার দ্বারা আপনারা অনলাইন কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন। এমনিতে, একটি চাকরি (job) করা ব্যক্তিকে সকাল ১০ থেকে বিকেল ৬ অব্দি অফিসে গিয়ে এক ধরণের কাজ করতেই হবকিন্তু, freelancing এর মাধ্যমে কাজ করা লোকেরা স্বনির্ভর (self-employed) থাকেন। তাই, ফ্রিল্যান্সিং এর মানেই হলো স্বাধীন ভাবে কাজ করা বা মুক্তপেশা। এটাও এক ধরণের ব্যবসা বললে আমি ভুল হবোনা।

    এই প্রক্রিয়াতে লোকেরা, অনলাইন বিভিন্ন সূত্রের (sources) মাধ্যমে কাজ খুঁজে নিজের ইচ্ছে হিসেবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে, যারা এভাবে স্বাধীন হয়ে freelancing এর কাজ করেন, তাদের “freelanc” বলা হয়।

    স্বল্প সময়ের জন্য চুক্তি করে যেকোনোকাজ করে দেওয়া হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। এই চুক্তি হতে পারে ঘণ্টা ভিত্তিক, দিন ভিত্তিক, মাস ভিত্তিক অথবা প্রজেক্ট ভিত্তিক। বাসায় কোন সমস্যা হলে আমরা যে মিস্ত্রি ডেকে আনি, তারাও ফ্রিল্যান্সার। স্বল্প সময়ের জন্য যে আইনজীবীকে হায়ার করি, তারাও ফ্রিল্যান্সার। তাদের এই কাজগুলোকেও ফ্রিল্যান্সিং বলা যায়। সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং বলতে কোন একটা কোম্পানি বা কোন একজন ব্যক্তির অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করাকে বুঝায়।

    তবে আমরা বর্তমানে কম্পিউটারের মাধ্যমে কোন প্রজেক্ট কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে বুঝে থাকি। বর্তমানে বলা যায় প্রায় সব ধরনের কাজই কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায়। যেমন সফটওয়ার বা ওয়েব ডেভেলপেমেন্ট, ডিজাইনিং, মার্কেটিং, লেখালেখি, কনসালটেন্সিসহ হাজার রকমের কাজ রয়েছে, যেগুলো অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে করা যায়।

     ফ্রিল্যান্সিং এর কাজে আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন যে, আপনি কতটা সময় কাজ করতে চান, কতটুকু কাজ করতে চান এবং এই কাজ আপনি পার্ট টাইম (part-time) করবেন না ফুল টাইম (full-time).তাছাড়া, ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নেয়া কাজ গুলি করার জন্য আপনার কোনো বিশেষ জায়গার প্রয়োজন হবেনা। কারণ, প্রায় সব ধরণের কাজ করার জন্য আপনার কেবল একটি ল্যাপটপ (laptop) বা কম্পিউটারের (computer) এবং তার সাথে ইন্টারনেট কানেক্শনের প্রয়োজন।

    তাই, সবটাই আপনি নিজের ঘরে বসে বসেই করতে পারবেন।

    ফ্রিল্যান্সিং কে আমরা একটি বিসনেস (business) হিসেবেও নিয়ে কাজ করতে পারি।

    ফ্রিল্যান্সিং কেন করব।

    আপনার যদি স্বাধীনতা পছন্দ হয়, নিজ বাসায় বা যে কোন স্থান থেকে কাজ করতে ভালো লাগে, তাহলে freelancing করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন, তা নিয়ে বিস্তারিত একটি লেখা লিখেছি। চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন এবং অন্যান্য।

    ফ্রিল্যান্সাররা কেমন আয় করে

    একজন ফ্রিল্যান্সার কেমন আয় করতে পারে, তা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। যেমন স্কিল সেট, এক্সপেরিয়েন্স, কত সময় কাজ করছে ইত্যাদি। যেমন একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর থেকে একজন অনলাইন মার্কেটার বেশি আয় করবে। এটাই স্বাভাবিক। কারণ ডেটা এন্ট্রি অপারেটর থেকে একজন অনলাইন মার্কেটারের স্কিল সেট বেশি ও মূল্যবান।

    আপওয়ার্কে বিভিন্ন ক্যাটেগরি অনুযায়ী একজন ফ্রিল্যান্সার এভারেজ কেমন ইনকাম করে, তা দেখলে আমরা একটা আইডিয়া পেতে পারি।

    • লেখক: একজন লেখক প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 30-40 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 42,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • এডিটর: একজন এডিটর প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 25-35 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 40,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • প্রোগ্রামার: একজন প্রোগ্রামার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 60-70 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 120,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • ডেভেলপার (সফটওয়ার, মোবাইল, ওয়েব): একজন ডেভেলপার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 50-60 ডলার আয় করেন। বছরে প্রায় 100,000 ডলার আয় করে থাকেন।
    • গ্রাফিক্স ডিজাইনার: একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 40-45 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 90,000 ডলার আয় করেন।
    • অনলাইন মার্কেটার: একজন অনলাইন মার্কেটার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 50-60 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 100,000 ডলার আয় করেন।
    • ফটোগ্রাফার: একজন ফটোগ্রাফার প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 35-45 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক প্রায় 42,000 ডলার আয় করেন।
    • CRM ম্যানেজার: একজন CRM ম্যানেজার (Customer Relations Manager) প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 50-60 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক সাধারণত প্রায় 120,000 ডলার আয় করেন।
    • ডেটা এনালিস্ট: একজন ডেটা এনালিস্ট প্রতি ঘণ্টায় এভারেজ 55-65 ডলার আয় করেন। বাৎসরিক সাধারণত প্রায় 100,000 ডলার আয় করেন।

    উপরে কয়েকটা কমন স্কিলের আর্নিং সম্পর্কে একটা ধারণা দেওয়া হয়েছে। এই ডেটা গুলো আপওয়ার্কের অফিশিয়াল ব্লগ পোস্ট থেকে নেওয়া। এগুলো হচ্ছে এভারেজ ফ্রিল্যান্সারদের তথ্য। কিছু ফ্রিল্যান্সার এর থেকে বেশি আয় করে। আবার কিছু ফ্রিল্যান্সার এর থেকে কম আয় করে। মূল লক্ষ্য ছিল ফ্রিল্যানিং করে কেমন আয় করা যায়, তা দেখানো। আমার ধারণা উপরের ডেটা থেকে অনলাইন আর্নিং সম্পর্কে আপনাদের একটা স্পষ্ট ধারণা হয়েছে।

     এবার লিখব ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায় তা নিয়ে।

    কম্পিউটারের মাধ্যমে যে কাজগুলো করা যায়, তা যত সহজ হোক বা কঠিন, সবই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি করতে পারবেন। একদম সহজ থেকে শুরু করিঃ

    • ডেটা এন্ট্রি
    • কাস্টোমার সাপোর্ট
    • ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
    • লেখালেখি বা প্রুপ রিডিং
    • ট্রান্সলেশন 
    • ভয়েস দেওয়া এবং এডিটিং
    • ভিডিও এডিটিং
    • ছবি তোলা বা ছবি এডিটিং
    • ডিজাইনিং
    • ইউজার ইন্টারফেস এবং ইউজার এক্সপ্রেরিয়েন্স ডিজাইন
    • অ্যাকাউন্টিং রিলেটেড যেকোনো কাজ
    • মাইক্রোসফট অফিসের যে কোন কাজ
    • গেম ডেভেলপমেন্ট
    • সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
    • ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট
    • মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
    • যেকোনো প্রোগ্রামিং বা ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত কাজ
    • ডেটা এনালাইসিস
    • ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন
    • মেশিন লার্নিং
    • ইন্টিলিজেন্ট সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সহ আরো অনেক। 

     নিচে আপওয়ার্কে  কি কি জব পাওয়া যায় তার একটা স্কিনসর্ট। ছবির উপর ক্লিক করলে বড় করে দেখা যাবে।

    আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো

    প্রতিটা ক্যাটেগরির মধ্যেই অনেক গুলো সাব ক্যাটেগরি রয়েছে। যেমন Web, Mobile, and Software Development ক্যাটেগরির মধ্যে দেখুন কত ধরনের জব রয়েছেঃ

    ওয়েব, মোবাইল এবং সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট রিলেটেড কাজ

    এগুলো দেখে একটা ধারনা নেওয়া যাবে অনলাইনে কি কি কাজ পাওয়া যায়, কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যদি উপরের যে কোন একটি কাজও পারেন, তাহলে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। যদিও এ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে রয়েছে। আপনাকে তা খুজে নিতে হবে। আপনি যদি এ কাজ গুলোর একটিও ভালো মত না পারেন, তাহলে আপনার কাছে যে বিষয়টা  ভালো লাগে এমন একটা কাজ শিখে নিতে পারেন। তারপর আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। কাজ শিখে নিতে বেশি সময় লাগবে না। ভয় পেলে বা শুরু না করলে কিভাবে শিখবেন? আজকের দিনটি  আপনার প্রিয় বিষয়টি শেখা শুরু করার জন্য কি একটি ভালো দিন নয়?

    আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করব?

    কোন কাজ না জানলে শিখে নিন। যে কোন কিছুই শিখতে পারেন। বা উপরের স্কিনশর্ট থেকে দেখে যে সব বিষয় ভালো লাগে, সে গুলো নিয়ে পড়ালেখা করতে পারেন। এ লেখাটি দেখতে পারেনঃ

    ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজেই নিজের পছন্দের বিষয় গুলো শিখে নিবেন যেভাবে।

    একটা কথা কি, মানুষ যা নিয়ে ঘটাঘাটি করে সে দিকেই এক্সপার্ট হয়। কেউ প্রথম দিন ই সফল হয় না। আপনি যদি আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তাহলে আজই না হোক কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর এক জন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। আর আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে ধোঁকা খান তাহলে আগামি কাল আপনি ঐসব দিক এড়িয়ে ভালো দিকে যেতে পারবেন। আপনি যদি প্রথাগত চাকরি করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানা শুরু করুন। এখানে কাজের অভাব নেই। বিষয়ের ও অভাব নেই। আপনি সহযেই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে সামনে এগুতে পারবেন। অথবা একটা বিষয় নির্বাচন করলেন। তার পর দেখলেন আপনার ভালো লাগে না, আপনি সহজেই অন্য বিষয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় কে নির্বাচিত করে সামনে এগুলে ভালো। একটা বিষয় নিয়ে যে যত ঘাটবে সে তত ঐ বিষয় নিয়ে দক্ষ হতে পারবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ জেনে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন সব সময় গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ করার জন্য। দক্ষ মানুষের স্থান সব সময়েই উপরের দিকে, এবার তা যে বিষয়েই হোক না কেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক জন ফ্রিল্যান্সারকে এক সাথে অনেক কিছুর কাজ করতে হয়। সাজতে হয় ওয়ান ম্যান আর্মি। যাই করুন না কেন, আপনার লক্ষ্য কিন্তু স্থির রাখতে হবে।

    স্কিল স্কিল!

    অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য স্কিলের বিকল্প নেই। ফ্রিল্যান্সিং অন্য সব জবের মতই। আপনার যদি স্কিল না থাকে, কেউ আপনাকে জব দিবে না। তাই সবার আগে স্কিল ডেভেলপমেন্টে সময় দিন।

    ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য আমার কি কি শিখা উচিত?

    আগে যে কোন একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এরপর? এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলতে একটু সময় দিতে হবে। ঘাটাঘাটি করতে হবে। যারা অনেক দিন থেকে কাজ করে, তাদের প্রোফাইল দেখতে হবে। তাদের প্রোফাইল দেকে তাদের প্রোফাইলের মত নিজের প্রোফাইল সাজাতে হবে। এবং ইংরেজীতে একটু দক্ষ হতে হবে। এমন না যে ফ্লুয়েন্টলি আপনাকে কথা বলতে হবে বা লিখতে হবে। অন্তত একটি জব পোস্ট পড়ে কি কি করতে বলছে, কি কি করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার মত ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে।

    কোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করা শুরু করব?

    আপনি যদি কিছু কাজ জানেন, তাহলে নিচের যেকোন একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খুলে ঐ মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আগে ভালো করে জানুন। প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেস এ নিজের প্রোফাইল সাজাতে হয়। প্রোফাইলে নিজে কি কি কাজ পারি তা যুক্ত করতে হয়। নিজে যেটা পারি, সেটা সত্যি পারি কিনা, তা জন্য অনলাইন পরীক্ষা দিতে হয়। এসব করতে পারলে বুঝতে পারবেন আপনি কাজ করার জন্য উপযুক্ত। এরপর কাজ পাওয়ার জন্য, কাজ করার জন্য বিড করতে থাকুন। যে কাজটি পারবেন বলে মনে হয় তাতে বিড করুন। ক্লায়েন্টকে সুন্দর একটা মেসেজ দিন। কাজ পেতে বেশি সময় লাগবে না। আমি এখানে কিছু মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দিচ্ছি। এর বাহিরে আরো অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।

    মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করব বুঝতে পারছি না।।

    কাজের জন্য বিড করুন, নিয়মিত করবেন। যে কাজটা আপনি পারবেন বলে আপনি কনফিডেন্ট। যদি না পারেন, তাহলে বিড করার পূর্বে আগে গুগলে সার্চ করে ঐ কাজটি সম্পর্কে আইডিয়া নিন। আপনি শিখে নিতে পারেন। এভাবে শিখতে শিখতে এক্সপার্ট হয়ে যেতে পারবেন। সুন্দর করে যদি আপনি জবের জন্য এপ্লিকেশন করার সময় মেসেজ দিয়ে থাকেন, কেন আপনি কাজটা করতে চান, কিভাবে আপনি কাজটা সম্পুর্ণ করবেন, তা বুঝিয়ে দিলে একটা না একটা এপলিকেশনের রিপ্লাই পাবেনই। আর রিপ্লাতে সাধারনত জিজ্ঞেস করা হয় কখন কাজটি আপনি শুরু করতে পারবেন, কত দিন সময় লাগবে ইত্যাদি। এগুলো সুন্দর মত বুঝিয়ে দিলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিবে।

     প্রপোজাল লেটার বা কভার লেটার লেখার নিয়ম

    আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে।   সবাই চায় অভিজ্ঞতা। আপনার কভার লেটারে আপনি নিজে শেখার সময় যে কাজ গুলো করেছেন, সেগুলো দিতে পারেন।

    কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব পোস্টটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভার লেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে।

    কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।

    ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা কিভাবে পাবো?

    আশা করি আপনি কাজ পাবেন। যদি কাজ না পান, তাহলে হতাশ হবে না। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিয়মিত। কাজ পান নাই বলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। আর কাজ পেলে কাজ কমপ্লিট করার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। বাংলাদেশে এখন অনেক ভাবেই বৈধ ভাবে ফ্রিল্যান্সারদের ইনকামের টাকা আনা যায়। বড় বড় সাইট গুলো থেকে সরাসরি ব্যাংকে টাকা আনা যায়। এ ছাড়া রয়েছে পেওনিয়ার, ওয়াইজ ইত্যাদি। এসব ব্যবহার করেও আপনি সরাসরি টাকা আনতে পারবেন।  ফ্রিল্যান্স ওয়েব সাইট গুলো থেকে থেকে আপনি ব্যাঙ্কে ট্রন্সফার করতে পারবেন।  আপওয়ার্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি ব্যাঙ্ক সাফোর্ট করে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি ওয়াইজ, পেওনিয়ার বা এমন কোন সিস্টেমে টাকা আনতে পারবেন। টাকা রুজি করলে দেখবেন হাতে আসার অনেক গুলো পথ পেয়ে যাবেন। কিভাবে টাকা হাতে পাবেন, সে চিন্তা আপাতত না করলেও হবে। সবার আগে কিভাবে একটি জব কমপ্লিট করতে পারবেন, তা নিয়ে কাজ করতে থাকুন। কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা ক্লায়েন্ট রিলিজ দেওয়ার পর আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউণ্টে জমা হবে। এবং ঐখান থেকে সহজেই অনেক গুলো পথে আপনার নিজের হাতে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। পেপাল নেই, বা আপনার কার্ড নেই, এসব নিয়ে এখন চিন্তা না করলে হবে। এবং এসব নেই বলে কাজ করা বন্ধ করার কোন মানে হয় না।

    টাকা হাতে আনার জন্য আপনি মাস্টারকার্ডও ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কার্ড দিবে। আপনি আপওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সার  থেকে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কার্ডের জন্য ফ্রী আবেদন করার জন্য পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন। নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দেওয়ার সম একটু নির্ভুল ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর পর আপনার ঠিকানায় কার্ড চলে আসবে। ফ্রি কার্ড। পরে যে কোন সময় কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করে একটিভ করতে পারবেন। আর একটিভ করার পর আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে কার্ড যুক্ত করে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।

    টাকা কি সত্যিই পাবো?

    জ্বি, যে কোন কাজ সম্পুর্ণ করলে সত্যিই টাকা পাবেন।

    দোয়া করি আপনার ফ্রিল্যান্সিং জীবন অনেক সুন্দর হোক।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • ফ্রিল্যান্সিং করতে চান? তাহলে ফ্রী কিছু কাজ করুন!!

    ফ্রিল্যান্সিং করতে চান? তাহলে ফ্রী কিছু কাজ করুন!!

    নাহ!! আমি ঠিক টাইটেলই দিয়েছি। আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিং করতে চান তাহলে আপনাকে কিছু কাজ ফ্রী করে দিতে হবে। কেন জানতে চান?

    যারা ফ্রীল্যান্সিং করেন তাদের কে কাজে বিড করার আগে/ এপ্লাই কররার সময় একটি কভার লেটার লিখতে হয়। ঐ খানে প্রায় সময়ই আপনাকে পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে হয়। কিন্তু যদি আপনার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে কি লিখবেন ঐ খানে? বা আপনাকে আপনার ম্যানেজার জিজ্ঞেস করল আপনি কি ঐ ধরনের কাজ আর করেছেন? করে থাকলে লিঙ্ক/ উদাহরন দিন। কিন্তু আপনি তখন পূর্ব কাজের উদাহরন দিতে পারবেন না। ফল সরূপ কাজটা ও হারাবেন।

    এখন যদি আপনি আপনার পরিচিত কারো কিছু ফ্রী কাজ করে দিয়ে থাকেন তাহলে আপনি ঐ সব গুলো দেখাতে পারবেন। তাছাড়া কাজ করলে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়বে। অন্য কারো কাজ করা মানে উনার নিজের মত করে কাজ করা, উনি কি চায় তা আপনি বুঝে কাজ করা। তাই এই ফ্রী কাজ গুলো করে দিলে আপনার জন্য ভালোই হবে খারাপ না… [ পোস্টটি শুধু নতুন দের জন্য, যারা ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে চায় বা কাজ যেনেও কাজ পারে না তাদের জন্য]

    কারো জন্য ফ্রী কিছু কাজ করে দিলে তার ফল কিন্তু পাওয়া যায়। আমার এই ছোট আর্টিকেলটিকে অবহেলা করবেন না প্লিজ। কাজ জেনে থাকলে বন্ধু, আত্মীয় স্বজনদের কিছু কাজ করে দিন। আপনারই ভালো হবে।

    এটা শুধু যে ফ্রীল্যান্সিং এ তা না, আপনি যদি আইটি বিভাগের ছাত্র হয়ে থাকেন তাহলে কেউ আপনার সার্টিফিকেট দেখবে না, আপনার কাজ দেখবে। আপনি কি জানেন তা দেখবে। তাই কারো জন্য কারো প্রয়োজনে আপনার সময় নষ্ট করলে মনে হয় তা নষ্ট হবে না। আরেকটা জিনিস হচ্ছে আপনি যত হেল্প করবেন আপনার জ্ঞান তত বাড়বে। একটুও কমবে না।

    ধন্যবাদ সবাইকে। শুভ ফ্রীল্যান্স আউটসোর্সিং।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    মো: মোজাম্মল হোসেন

  • অনলাইন ব্যবসা কি ? ৯ টি অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া (Online business)

    অনলাইন ব্যবসা কি ? ৯ টি অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া (Online business)

    অনলাইন বিসনেস কি এবং অনলাইনে ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায় এবেপারে অনেকেই জানতে চান। আজ, ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে অনলাইনে ব্যবসার সুযোগ অনেক বেড়েগেছে। গ্রাহকেরা (consumer), ঘরে বসেই বিভিন্য ই-কমার্স (E-commerce) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে, কেবল ইন্টারনেট (internet) এবং নিজের মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার কোরেই যেকোনো জিনিস (product) অনলাইন অর্ডার (online order) দিয়ে কিনে নিচ্ছেন।

    পণ্য কিনে নেয়ার থেকে টাকা পেমেন্ট করা সবটাই ঘরে বসে হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে, অনলাইন বিসনেস (online business) এর ভবিষৎ এবং এর চাহিদা দিনের পর দিন বেড়ে যাওয়াতে, আপনার এবং আমার জন্য ব্যবসা করার এক নতুন সুযোগ (opportunity) চোখের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    কিন্তু, সহজে অনলাইনে সফল হওয়ার জন্য, আপনার কিছু অনন্য (unique) লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে হবে। কোন, বিশেষ সামগ্রী বা পণ্য লোকেরা সহজে অনলাইন কিনে নিতে চান, সেবেপারে আপনার অল্প মাথা লাগাতেই হবে।

    আজ, amazonflipkartsnapdeal এদের মতোই কত ছোট বড়ো “অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট” (online shopping website) বা মোবাইল এপস রয়েছে, যারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে দাঁড়িয়েছে, কেবল অনলাইন ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য (product) বা সার্ভিস (service) বিক্রি কোরে। ভাবলে কিন্তু অসম্ভব মনে হয়, কিন্তু করলে সম্ভব বোলে অনেকেই প্রমাণিত করেছেন।

    এদের মতোই, কিছু ভালো এবং আলাদা অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে যদি আপনি কাজ শুরু করেন, তাহলে হয়তো অনেক সহজেই সফলতার রাস্তায় যেতে পারবেন।

    ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করার একটি বিশেষ লাভ রয়েছে। আপনি, যেকোনো পণ্য (product) বা সামগ্রী নিয়ে যেকোনো বিশেষ জায়গা বা লোকেশন (location) টার্গেট কোরে নিজের অনলাইন ব্যবসা (business) চালিয়ে যেতে পারবেন।

    আপনি খুব কম টাকায় এই online business এর কাজ প্রথম অবস্থায় শুরু করতে পারবেন। তাছাড়া, আপনি কি ধরণের সামগ্রী নিয়ে কাজ করবেন সেটার ওপরেও আপনার প্রয়োজন হওয়া টাকার পরিমান নির্ভর করবে।

    তাহলে চলুন, বেশি সময় না নিয়ে আমরা আজকের এই আর্টিকেলে কি কি জানবো, সেবেপারে জেনেনেই।

    আমরা জানবো –

    • অনলাইন বিসনেস কি ? (What is online business).
    • অনলাইন এবং অফলাইন বিসনেস এর পার্থক্য। (Online VS Offline business).
    • নিজের অনলাইন ব্যবসা শুরু করার নিয়ম কি ? (How to start).
    • ১১ টি অনলাইনে ব্যবসার আইডিয়া। (business ideas)

    অনলাইনে ব্যবসা মানে কি ?

    Online business, এমন এক প্রকারের ব্যবসা যেটা শুরু থেকে শেষ অব্দি অনলাইনের (online) মাধ্যমে বা ইন্টারনেটের (internet) মাধ্যমে করা হয়। মানে, এই ব্যবসা ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা লোকেদের বা গ্রাহক দেড় টার্গেট কোরে পণ্য (product)সার্ভিস (service) বা যেকোনো জিনিস অনলাইনেই বিক্রি কোরে, লাভ আয়ের উদ্দেশ্যে করা হয়।

    অনেক সময়, অনলাইন বিসনেস বলতে, বেচা কেনা (buy & sell) ছাড়াও অনেক কার্যকেই বলা যেতে পারে। যেমন, নিজের ব্লগওয়েবসাইটে বা ভিডিওতে গুগল এডসেন্স দ্বারা বিজ্ঞাপন (advertisement) দেখিয়ে অনলাইন টাকা আয় করা এক ধরণের profitable online business

    Affiliate marketing দ্বারা online commission income করাও এক ধরণের অনলাইন বিসনেস। এবং, আরো অনেক ধরণের অনলাইন কার্য রয়েছে, যেগুলি ডাইরেক্ট (direct) বেচা কেনার সাথে জড়িত না থাকলেও, সেগুলিকে একধরণের ব্যবসা বলা যায়।

    সহজে বললে,

    একজন ব্যবসার মালিক যে তার বেবসার কিছু অংশ বা পুরো ব্যবসাটাই যদি ইন্টারনেটের ব্যবহার করে করছেন, তাহলে সে একটা online ব্যবসা চালাচ্ছেন। একটা অনলাইন business চালানো মানে, online দোকানblogging করাYouTubeঅনলাইন বেচা কেনা করা বা যেকোনো অনলাইন সার্ভিস প্রদান করাকে বোঝায়।

    আলাদা আলাদা industries বা categories এ আপনারা অনেক ধরণের আলাদা আলাদা বিসনেস দেখতে পারবেন যেগুলি অনলাইন ইন্টারনেটের দ্বারা চলছে।

    আপনি এবং জেকেও একটি ব্যবসা অনলাইনে শুরু করতে পারবেন, যদি আপনার কাছে unique productservice বা আইডিয়া (idea) রয়েছে জেবেপারে লোকেরা অনলাইন খুঁজছেন।

    অনলাইন এবং অফলাইনে ব্যবসার ৫ পার্থক্য (Online VS Offline business)

    যেভাবে, offline ব্যবসা করার অনেক নিয়ম এবং মাধ্যম আমাদের কাছে রয়েছে, সেভাবেই online যেকোনো business করার অনেক নিয়ম বা মাধ্যম রয়েছে।

    কিন্তু, যখন আমরা online এবং offline এ করা business এর পার্থক্য কোরে দেখি, তখন অনলাইনে করা business এর লাভ অনেক গুনে বেশি পাই।


    Online business VS offline business

    . আপনার কোনো ধরণের physical office বা দোকানের (shop) প্রয়োজন নেই। আপনি কেবল একটি laptop বা computer যেখানে internet connection রয়েছে, দিয়েই নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। ঘরে বসে বসে ব্যবসা করা সম্ভব।

    কিন্তু,

    Offline business এর ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার একটি physical store বা office অবশই নিতে হবে। নাহলে, গ্রাহকেরা আপনার পণ্যের প্রতি আকর্ষিত হবেনা।

    . অনলাইনে করা অনেক রকমের ব্যবসা রয়েছে, যেগুলি আপনারা কম থেকে কম টাকা দিয়ে আরম্ভ করতে পারবেন। এবং, কিছু ক্ষেত্রে তো আপনি কোনো টাকা ছাড়াই বিসনেস স্টার্ট করতে পারবেন।

    কিন্তু,

    Offline business আজকাল কম investment বা বিনা টাকায় শুরু করা প্রায় অসম্ভব।

    . অনলাইন করা ব্যবসাতে আপনার online দোকানেwebsite বা ব্লগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই অনেক সহজে যেকোনো সময়ে গ্রাহক বা ভিসিটর্স আসার সুবিধা রয়েছে।

    পুরো, ২৪ ঘন্টা আপনার business লোকেদের জন্য খোলা থাকে। এতে ব্যবসা এবং লাভ অনেক গুনে বেড়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    কিন্তু,

    Offline ব্যবসাতে, লোকেরা প্রত্যেকবার আপনার physical store এ গিয়ে গিয়ে জিনিস (product) কিনতে হবে। তাছাড়া, আপনার দোকান ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা সম্ভব নয় এবং অনেক কিছু কারণে আপনার physical store বন্ধ রাখতে লাগতেই পারে।

    তাই, অফলাইনের তোলনায় অনলাইনে চলানো দোকানে লাভের সুযোগ বেশি।

    . অনলাইনে করা business আপনি বিশ্বের যেকোনো জায়গার থেকে নিজের চালাতে পারবেন। আপনার কেবল, laptop এবং internet connection এর প্রয়োজন হবে।

    কিন্তু,

    অনলাইনে করা business কোনো নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া সম্ভব না। আপনার এক জায়গায় থেকেই ব্যবসা চালাতে হবে।

    . অফলাইন দোকান বা ব্যবসাতে আপনি কেবল একটি নির্দিষ্ট জায়গার লোকেদের বা গ্রাহকদের টার্গেট কোরে নির্দিষ্ট জায়গায় মাল বেচতে পারবেন।

    কিন্তু,

    Online করা business এ আপনি পুরো দেশ এবং বিদেশের লোকেদের বা গ্রাহকদের টার্গেট কোরে পুরো দেশ এবং বিদেশে ঘরে বসেই নিজের business চালাতে পারবেন।

    আপনার গ্রাহক ইন্টারনেটের মাধ্যমে পুরো দেশের থেকে আপনার কাছে চলে আসবে। কিন্তু, প্রথম অবস্থায় নিজের business এর marketing করাটা কিন্তু জরুরি।

    এখন, আপনারা দুটো ব্যবসার মাধ্যমের পার্থক্য দেখেই হয়তো বুঝে গেছেন যে, অনলাইন ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করাটা অধিক বেশি সহজ এবং লাভজনক।


    অনলাইনে ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায় ? (business start করার নিয়ম)

    আজকাল একটি অনলাইন ব্যবসা স্টার্ট (start) করাটা অনেক সহজ এবং সরল হয়ে গেছে। আজকাল, ইন্টারনেটের চাহিদা এবং ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়াতে অনলাইন মার্কেটে বিভিন্য কাজ করে profit আয় করার সুযোগ অনেক বেড়েগেছে।

    কিন্তু, আপনি যদি এই লাইনে নতুন এবং আপনার অনলাইন মার্কেটের কোনো knowledge নেই, তাহলে সবচে আগেই আপনার জেনেনিতে হবে, “অনলাইন ব্যবসা শুরু করার কিছু নিয়মের বেপারে” . মানে, কি কি মাধ্যম বা উপায় ব্যবহার করে আমরা একটি অনলাইন বিসনেস শুরু করতে পারবো।

    আলাদা আলাদা ব্যবসার (business) আলাদা আলাদা উপায় বা মাধ্যম রয়েছে। আপনি, যেই লাইনে business করতে চান, তার ওপরে নির্ভর কোরে আপনার ব্যবসার মাধ্যম বা প্রকার বেছেনিতে হবে।

    Start অনলাইন business today with this ৬ method

    নিচে অনলাইন ব্যবসা শুরু করার যেগুলি নিয়ম বা উপায়ের বেপারে আমি বলবো, সেগুলি ব্যবহার কোরে আপনারা অনেক সহজে যেকোনো প্রডাক্ট (product) বা সার্ভিস (service) অনেক সহজে অনলাইন ইন্টারনেটের মাধ্যমে লোকেদের বা গ্রাহকদের বিক্রি করতে পারবেন।

    তাছাড়া, এমন কিছু অনলাইন বিসনেস এর নিয়ম বলবো যেগুলি আপনারা বিনা পয়সায় বা কোনো টাকা না লাগিয়েই শুরু করতে পারবেন।

    ১. নিজের অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট বানিয়ে ব্যবসা

    হে, আজ লোকাল যেকোনো জায়গার থেকে ইন্টারনেটে সব সময় বেশি মানুষ সক্রিয় থাকার জন্য, Physical store থেকে বেশি বিক্রি/গ্রাহক online store বা অনলাইন দোকান বা E-commerce website থেকে পাওয়া যায়।

    Offline shopping এর তুলনায় আজ, online shopping এর রুচি লোকেদের মধ্যে অনেক। অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট দ্বারা দেশ বিদেশের যেকোনো জায়গার থেকে লোকেরা আপনার product এর ব্যাপারে জেনেনিতে পারবেন এবং ভালো লাগলে অর্ডার (order) করতে পারবেন।

    তাই, আপনিও অনেক সহজে নিজেই একটি online store বা E-commerce website বানিয়ে, নিজের দোকানের মাল বা দোকান না থাকলেও ঘরেই মাল (product) রেখে সেগুলি অনলাইন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন।

    তাহলে, অনলাইন প্রোডাক্ট বেচার সব থেকে প্রচলিত এবং লাভজনক উপায় বা নিয়ম হলো “নিজের একটি E-commerce website“.

    ২. ফেসবুক মার্কেটপ্লেস (Facebook marketplace) দ্বারা ব্যবসা

    ফেসবুক একাউন্ট থেকে অনলাইন টাকা আয় কিভাবে করবেন, সেবেপারে আমি আমার আগের আর্টিকেল আপনাদের বলেছি। এবং, সেই আর্টিকেলে প্রথমেই “ফেসবুক মার্কেটপ্লেস” থেকে অনলাইন আয়ের বিষয়ে বলেছি।

    Facebook আজ প্রায় প্রত্যেক দেশে বিখ্যাত এবং লক্ষ লক্ষ লোকেরা এখানে একাউন্ট বানিয়ে সক্রিয় (active) থাকেন।

    তাই, অনলাইন যদি আপনি কিছু বিক্রি করতে চান, তাহলে ফেসবুক আপনার প্রোডাক্ট (product) এর জন্য অসংখ এবং সঠিক গ্রাহকের জোগাড় করে দিতে পারে।

    ফেসবুকের এই মার্কেটপ্লেস (marketplace) সার্ভিস দ্বারা যেকোনো ফেসবুক একাউন্ট থাকা ব্যাক্তি তার নিজের পণ্যসার্ভিস বা প্রোডাক্ট এখানে লিস্ট (list) কোরে সেই প্রোডাক্টের মার্কেটিং (marketing) করতে পারবেন।

    এতে, সেই প্রোডাক্ট লক্ষ লক্ষ ফেসবুক ব্যবহার করা লোকেরা দেখবেন এবং ভালো লাগলে তারা অনলাইন আপনার পণ্য অর্ডার (order) করবেন।

    তাছাড়া, ফেসবুকের লক্ষ লক্ষ সক্রিয় লোকেদের মধ্যে জেকেও আপনার product কিনতে চাইবে, সে আপনাকে contact কোরে আপনার থেকে কিনে নিতে পারবেন।

    আপনি, ফেসবুক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনেক কম খরচেই জেকোনো জায়গাএরিয়া বা দেশকে টার্গেট কোরে নিজের পণ্যের অনলাইন মার্কেটিং কোরে সহজে গ্রাহক পেয়েযেতে পারবেন। এই ধরণের অনলাইন মার্কেটিং এর প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়।

    তাহলে, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস অনলাইন পণ্য বা সেবা বিক্রি করার বা অনলাইন ব্যবসা শুরু করার এক সহজ নিয়ম বা উপায় হিসেবে আমরা বলতেই পারি।

    ফেসবুক মার্কেটপ্লেস ছাড়াও অনেক অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেগুলিতে জেকেও রেজিস্টার কোরে নিজের প্রোডাক্ট অনলাইন বিক্রি করতে পারবেন। এতে, আপনার নিজের কোনো shopping website বানানোর কোনো প্রয়োজন হয়না।

    ৩. সোশ্যাল মিডিয়া (social media) ব্যবহার করে

    আজ, FacebooktwitterGoogle plus বা Instagram এগুলির মতো অনেক social media website রয়েছে, যেগুলিতে অসংখক (unlimited) লোকেরা সক্রিয় (active) থাকেন।

    এক্ষেত্রে, আপনার যদি এরকম social media profile বা page রয়েছে এবং তাতে হাজার হাজার followersfriends বা subscribers রয়েছে, তাহলে অনেক সহজে আপনি এই social media website গুলি ব্যবহার কোরে অনলাইন নিজের পণ্য, বিসনেস বা সার্ভিস এর ব্যাপারে লোকেদের জানাতে পারবেন বা মার্কেটিং করতে পারবেন।

    এবং, এভাবেই সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের দ্বারা অনলাইন নিজের প্রোডাক্টের মার্কেটিং করে ইন্টারনেট থেকে গ্রাহক (consumer) পেয়ে যেতে পারবেন।

     ৪. Smartphone app তৈরি করে ব্যবসা

    আজ, আপনি Google play store এ গিয়ে দেখলে বিভিন্য ধরণের সফল এপস দেখতে পারবেন যারা কিছু আলাদা এবং unique আইডিয়া নিয়ে একটি app বানিয়েছেন এবং সেই app এর মাধ্যমে লোকেদের অনলাইন নিজের পণ্য (product) বা সেবা (service) বিক্রি করছেন।

    উদাহরণ স্বরূপে,

    ভারত এবং বিভিন্য দেশে swiggy appFood pandaUber eats, এর মাধ্যমে লোকেরা ঘরে বসেই যেকোনো রেস্টুরেন্ট (restaurant) থেকে যেকোনো জায়গায় খাবার আনিয়ে নিতে পারেন।

    আবার, Uber এবং OLA র মতো কিছু বিখ্যাত এপস রয়েছে যেগুলি ব্যবহার কোরে আমরা যেকোনো জায়গার থেকে cab, auto বা bike book করে ভ্রমণ করতে পারি অনেক কম খরচে।

    এভাবে, অনেক রকমের আলাদা আলাদা আইডিয়া এবং অনন্য অনলাইন বিসনেস আইডিয়া নিয়ে অনেকেই অনেক এপস বানিয়ে আজ সফল হয়ে নিজেদের কোটি কোটি টাকার কোম্পানি বানিয়ে নিয়েছেন।

    তাই, আপনার যদি কিছু unique business idea রয়েছে যেটা একটি app দ্বারা করা সম্ভব, তাহলে একটি smartphone app বানিয়েও আপনি সফল অনলাইন ব্যবসার মালিক হয়ে দাঁড়াতে পারবেন।

    ৫. Blogging এবং YouTube চ্যানেলের মাধ্যমে বিসনেস

    এখন আপনারা যদি এমন একটি ব্যবসা করতে চাচ্ছেন, জেতাতে এক টাকাও না ব্যবহার করেই করা যাবে, তাহলে আমি Blogging এবং YouTube এর ব্যবসার কথা বলবো।

    হে, ব্লগিং এবং ইউটিউবের চ্যানেলের মাধ্যমে বিসনেস আজ অনলাইনে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত, সহজ এবং লাভজনক ব্যবসা হিসেবে বলা হয়। এবং, একেবারেই ফ্রীতে আপনি এগুলি আরম্ভ করতে পারবেন।

    ব্লগিং এবং ইউটিউবের চ্যানেলের মাধ্যমে লোকেরা আজ ঘরে বসেই মাসে হাজার লক্ষ টাকা আয় করছেন। Google adsense এবং affiliate marketing এগুলির থেকে অনলাইন আয়ের মূল উপায়।

    আমার মতোই, অনেকেই রয়েছেন যারা এই ধরণের online profitable business করে দিনে কেবল ২ থেকে ৩ ঘন্টা কাজ করেই মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা part-time ইনকাম করছেন।

    এবং, হাজার হাজার লোকেরা এই দুই ধরণের ব্যবসা full-time কোরে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকাও সহজে কামিয়ে নিচ্ছেন। বিশ্বাস না হোলে গুগলে এই ব্যাপারে সার্চ কোরে দেখে নিন।

    কিন্তু, এই মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করার আগেই আপনার ভালো করে জ্ঞান নিয়ে বা এবেপারে সবটাই শিখে শুরু করতে হবে। অবশে, সেটা আপনি ইউটিউবে ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারবেন।

    ৯ সেরা অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া (Online business idea)

    ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করার কথা যদি আপনি ভাবছেন, তাহলে অনেক ধরণের অনন্য (unique) বিসনেস আইডিয়া (business idea) নিয়ে আপনি নিজের কাজ শুরু করতে পারবেন।

    যেই আইডিয়া নিয়ে, ওপরে বলা অনলাইন ব্যবসার নিয়ম বা উপায় গুলি ব্যবহার কোরে যেকোনো পণ্য (product) বা সেবা (service) ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা গ্রাহক বা লোকেদের বিক্রি করতে পারবেন, সেই আইডিয়া অনলাইনে করা আপনার সেরা বিসনেস আইডিয়া হিসেবে প্রমাণিত হবে।

    অনলাইন করার মতো ব্যবসা অনেক রয়েছে। কিন্তু, আপনার প্রথমে ভাবতে হবে যে, কোন জিনিস বা সেবা লোকেরা অনলাইন ইন্টারনেট থেকে সহজে কিনে নিতে চাইবেন। কোন জিনিসের চাহিদা অনলাইন মার্কেটে (online market) অনেক।

    এবং, শেষে কোন সেবা বা প্রোডাক্ট offline market এ পাওয়া খুব কঠিন কিন্তু আপনি আপনার ব্যবসার দ্বারা লোকেদের সেই সামগ্রী বা সেবা আপনার online store বা অনলাইনে বিভিন্য ব্যবসার মাধ্যম গুলির দ্বারা সহজে প্রদান (provide) করতে পারবেন সেটা জানা জরুরি।

    এভাবে লোকেদের চাহিদা এবং online এবং offline market এর বিষয়ে সার্ভে (survey) বা রিসার্চ (research) কোরে, নিজের ব্যবসা শুরু করলে সফলতা পাওয়ার সুযোগ অনেক।

    ৯ টি সেরা অনলাইন ব্যবসার ধারণা (idea)

    ১. অনলাইন কাপড়ের ব্যবসা (online cloth store)

    অনলাইনে সবচে বেশি চাহিদা থাকা প্রোডাক্ট বা জিনিস হলো কাপড়। সে, ছেলেদের কাপড় হোক কি মেয়েদের কিংবা বাচ্ছাদের। আপনি যদি একটি online cloth store খুলেন তাহলে সেটা এক অনেক ভালো ব্যবসা হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।

    আপনি লোকাল ম্যানুফ্যাকচারার (local manufacturer) বা wholesaler থেকে কাপড় কিনে তারপর নিজের লাভ যোগ কোরে সেগুলি অনলাইন বিভিন্য মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন।

    সেই মাধ্যম, আপনার নিজের একটি শপিং ওয়েবসাইট হতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়া দ্বারা হতে পারে বা বিভিন্য মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করেও হতে পারে।

    অনলাইন কাপড়ের ব্যবসাতে চাহিদা এবং প্রফিট (profit) দুটোই অনেক বেশি। কিন্তু, সঠিক ভাবে ব্যবসাটা আরম্ভ করতে হবে।

    আপনি নিজেই একটি e-commerce website বানিয়ে নিতে পারবেন। বা, নিজের জন্য একটি অনলাইন website কাওকে দিয়েও তৈরি করিয়ে নিতে পারবেন।

    অবশই পড়ুন – ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি করুন 

    ২. মেয়েদের imitation বা artificilat jewellery ব্যবসা

    আজ মেয়েরা, অরিজিনাল শোনার গহনা না পোরে আর্টিফিশিয়াল jewellary বা imitation jewellary পোরে অনেক বেশি ভালো পান।

    কারণ বিভিন্য জায়গায় যাওয়ার সময় বিভিন্য কাপড়ের সাথে সেই imitation jwellary সহজে ম্যাচ করে।

    Imitation jwellary র চাহিদা অনলাইন মার্কেটে অনেক বেশি এবং এতে লাভ প্রায় অনেক। তাই, অনেক কম খরচে আপনি মাল কিনে তারপর সেগুলি অনলাইনে বিভিন্য মাধ্যমে মার্কেটিং এবং বিক্রি করতে পারবেন।

    ৩. নিজের Domain এবং Hosting business

    যারা যারা আজ একটি অনলাইন ওয়েবসাইট (online website) তৈরি করতে চান তাদের প্রথমেই একটি domain এবং hosting প্ল্যান কিনতে হয়।

    তাই, আপনিও নিজের একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং ব্যবসা শুরু করে কম দামে ডোমেইন বা হোস্টিং প্যাকেজ কিনে সেগুলি নিজের clients দেড় বিক্রি করতে হবে।

    সোজা ভাবে বললে, আপনার একটি domain & hosting reseller business স্টার্ট করতে হবে।

    অনলাইনে করা এই ব্যবসাতে লাভ অনেক বেশি। কিন্তু, প্রথমেই আপনার নিজের ব্র্যান্ড (brand) কে মার্কেটিং কোরে প্রচার করতে হবে এবং লোকেদের বিশ্বাস পেতে হবে।

    ৪. Wholesaler বা manufacturer থেকে মাল কিনে বিক্রি

    আপনি, নিজের পাশে থাকা wholesale দোকান বা manufacturer গুলির থেকে যেকোনো ধরণের পণ্য (product) বা জিনিস কিনে তারপর সেগুলি social media, Facebook marketplace বা বিভিন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে অধিক লাভে বিক্রি করতে পারবেন।

    আজ, ভারতে অনেকেই এই মাধ্যম ব্যবহার কোরে অনলাইন অনেক জিনিস লাভে বিক্রি করছেন এবং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    ৫. Online restaurant business

    আজ লোকেরা সবটাই অনলাইন অর্ডার কোরে ঘরে বোসে বসেই পেতে চান। এক্ষেত্রে, আপনার যদি ভালো ভালো খাবার বানানোর অভিজ্ঞতা আছে, তাহলে একটি অনলাইন খাবার দোকান বা online restaurant এর ব্যবসা আরম্ভ করতে পারবেন।

    একটি ওয়েবসাইট বা app এর মাধ্যমে জেকেও আপনার দোকানের খাবারের menu দেখে খাবার অর্ডার (order) করতে পারবেন।

    আমার এই অনলাইন restaurant এর বিসনেস করার আইডিয়াটা কিন্তু অনেক পছন্দ। এবং, এই আইডিয়াকে নিয়ে যদি আপনি কাজ কোরে সফল হন, তাহলে আপনার ব্র্যান্ড অনেক বিখ্যাত হবে এবং এর থেকে লাভের পরিমান আপনি কল্পনা করতে পারবেননা।

    কিন্তু, এই ব্যবসাতে, খাবারের কোয়ালিটি (taste), ডেলিভারি সময় এবং পরিমান সবটাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এবং, এই কয়টা জিনিসের ওপরে আপনার ধ্যান দিয়ে কাজ করতে হবে।

    ৬. Affiliate marketing দ্বারা business

    এফিলিয়েট মার্কেটিং কি এবং কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন সেবেপারে আমি আমার আগের আর্টিকেলে আপনাদের বলেছি।

    Affiliate marketing আজ অনলাইন ইনকামের সবথেকে লাভজনক উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

    এই মাধ্যম ব্যবহার করে, আপনারা ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্য online store বা website থেকে তাদের product বা সেবা লিংকের মাধ্যমে বিভিন্য মাধ্যমে (social media, blog, video) শেয়ার করতে হয়।

    এবং, যখন আপনার শেয়ার করা লিংকের মাধ্যমে গিয়ে কেও সেই product বা সেবাটি কিনেন, তখন আপনাকে একটি কমিশন (commission) দেয়া হয়।

    আয় করা commission এর এর পরিমান বিক্রি করা প্রোডাক্ট এর দামের ওপরে নির্ভর করে আপনাকে দেয়া হয়।

    ৭. Blogging is a big online business

    অনলাইন লাভজনক ব্যবসার কথা যখন আসে, আমি প্রথমেই ব্লগিং এর ব্যাপারে সবাইকে বলি। কারণ, বিনা পয়সায় একেবারে ফ্রীতে যদি আপনি অনলাইন একটি ব্যবসা করতে চান, তাহলে blogging সব থেকে সেরা এবং এর মাধ্যমে আয়ের সুযোগ অনেক বেশি।

    আপনার একটি টপিক বা বিষয় নিয়ে ব্লগ বানাতে হবে এবং তারপর তাতে নিজের niche এর সাথে related আর্টিকেল লিখতে হবে।

    একবার সার্চ ইঞ্জিন থেকে ব্লগে ট্রাফিক বা ভিসিটর্স আশা শুরু হলেই আপনারা Google adsense দ্বারা ব্লগে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

    তাছাড়া, affiliate marketing এবং product promotion ব্লগ থেকে direct income করার সেরা মাধ্যম।

    Blogging business আজ লোকেরা অনেক professionally করছেন। কারণ, ভালো করে কোরলে এর থেকে বেশি ইনকাম কোনো অনলাইন ব্যবসা সহজে আপনাকে দিবেনা।

    ৮. YouTube চ্যানেলের মাধ্যমে বিসনেস

    যারা ক্যামেরার সামনে আসতে ভালো পান তাদের জন্য YouTube business সবথেকে বেশি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে প্রমাণিত হবে।

    ইন্টারনেটে আজ লোকেরা যেকোনো কিছু জিনিসের সমাধান ভিডিওর মাধ্যমে পেতে চান।

    এক্ষেত্রে, নিজের একটি ইউটিউবের চ্যানেল বানিয়ে তারপর তাতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা আয় করাটা আজ একটি professional online business হিসেবে লোকেরা করছেন।

    তাই, আপনিও যদি বিনা খরচে এবং ফ্রীতেই একটি ব্যবসা করতে চান, তাহলে YouTube চ্যানেলে ভিডিও আপলোড কোরে টাকা আয় করাটা একটি লাভজনক অনলাইন ব্যবসার ধারণা হিসেবে প্রমাণিত হবে।

    ৯. Online laundry services

    আজ সময় কারো কাছেই নেই। তাই, ঘরের কাপড় ধুয়ার জন্য ধোপা ঘরে বা laundry তে গিয়ে লোকেদের সেগুলি ধুয়াতে হয়।

    এই ক্ষেত্রে, আপনি যদি একটি mobile app বা website তৈরি করে লোকেদের online laundry service দিয়ে তাদের ঘর থেকেই কাপড় সংগ্রহ করে তারপর সেগুলি ধুয়াতে পারেন, তাহলে একটি আলাদা এবং অনন্য অনলাইন ব্যবসার ধারণা হিসেবে এই ব্যবসা প্রমাণিত হতে পারে।

    তাছাড়া, online dry cleaning এর কাজ আপনি এর সাথে চালিয়ে যেতে পারবেন।

    অনেক কম খরচে এই ব্যবসা অনেক সহজে সফল হয়ে দাঁড়ানোর সুযোগ অনেক বেশি।

    তাহলে বন্ধুরা, অনলাইন ব্যবসা মানে কি ? কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করবেন ? এবং ৯ টি সেরা এবং লাভজনক অনলাইন বিসনেসের আইডিয়া কোনগুলি, সবটাই এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের বুঝিয়ে বললাম।

    যেই মাধ্যম ব্যবহার কোরে, যেকোনো সেবা বা প্রোডাক্ট যেগুলি আপনারা অনলাইন ইন্টারনেটের মাধ্যমে লোকেদের বিক্রি বা প্রদান করে ইনকাম করতে পারবেন সেই মাধ্যমকেই আপনি একটি অনলাইনে করা ব্যবসা হিসেবে নিতে পারবেন।

    এবং, এরকম অনেক ধারণা বা আইডিয়া রয়েছে যেগুলি এখনো কেও অনলাইন মার্কেটে নিয়ে আসেনি। তাই, আপনার প্রথমেই সেই বিসনেস আইডিয়া গুলির ব্যাপারে ভেবে অনলাইন কাজ শুরু করতে হবে।